২/৩৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০০ - ওযু ছাড়া আযান না দেওয়া
বিনা ওজুতে আযান দেয়া মাকরুহ
ওযু ছাড়া আযান না দেওয়া: পবিত্রতার আদব নিয়ে হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০০
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى الصَّدَفِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " لاَ يُؤَذِّنُ إِلاَّ مُتَوَضِّئٌ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ বিনা ওজুতে কেউ যেন আযান না দেয়।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন—বিনা ওযুতে কেউ যেন আযান না দেয়। এখানে মূল বিষয় হলো আযানের আগে পবিত্রতা এবং ওযুর আদব। বর্ণনার শেষে এটি দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। তবুও আযান একটি সম্মানিত ইবাদতের ডাক; তাই পবিত্র অবস্থায় আযান দেওয়ার শিক্ষা অনেকের কাছে আদব হিসেবে বোঝা যায়। তবে এই হাদিস থেকে অতিরিক্ত কঠোর দাবি করা ঠিক নয়, কারণ সনদের মূল্যায়নও পাঠের অংশ। সহজভাবে বলা যায়, মুআযযিনের জন্য ওযু করে আযান দেওয়া ভালো আদবের মধ্যে পড়ে, আর নামাজের সঙ্গে যুক্ত সব কাজেই পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতির মানসিকতা থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনায় ওযু ছাড়া আযান না দেওয়ার কথা এসেছে।
- আযানের সঙ্গে পবিত্রতার আদব জড়িত।
- হাদিসের দুর্বলতার মন্তব্যও বিবেচনায় রাখা দরকার।
- মুআযযিনের জন্য পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতি রাখা ভালো।
