২৬/৪. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৪০ - রোগীকে জোর করে খাওয়ানো নয়

রোগীকে জোর করে পানাহার করানো নিষেধ

রোগীকে জোর করে খাওয়ানো যাবে না: রোগীর যত্নের হাদিস

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৪০

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ يُونُسَ بْنِ بُكَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ تُكْرِهُوا مَرْضَاكُمْ عَلَى الطَّعَامِ فَإِنَّ اللَّهَ يُطْعِمُهُمْ وَيَسْقِيهِمْ». قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .

‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের রোগীদেরকে জোরপূর্বক পানাহারে বাধ্য করো না। কেননা, প্রাচুর্যময় আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে পানাহার করান।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই পেয়েছি।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৪০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রোগীর সঙ্গে কোমল আচরণের শিক্ষা আছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা তোমাদের রোগীদের জোর করে পানাহারে বাধ্য করো না। কারণ, আল্লাহ তাদের পানাহার করান। এখানে মূল শিক্ষা হলো, অসুস্থ মানুষের শরীর ও অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখা। রোগী অনেক সময় খাবার বা পানি নিতে পারে না, তখন তাকে কষ্ট দিয়ে জোর করা ঠিক নয়। হাদিসের বক্তব্য অনুযায়ী, রোগীর যত্নে নরম ব্যবহার, ধৈর্য এবং আল্লাহর ওপর ভরসা থাকা দরকার। তবে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয় পরামর্শ থাকলে তা বুঝে মানা আলাদা বিষয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রোগীকে জোর করে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
  • অসুস্থ মানুষের অবস্থার প্রতি কোমল হওয়া দরকার।
  • রোগীর যত্নে ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন