২৬/১২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৫১ - হিজামার সময় ও স্থান
রক্তক্ষরণ প্রসঙ্গে
হিজামা হাদিস: নবীজির রক্তমোক্ষণের সময় ও স্থান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৫১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৫১
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَحْتَجِمُ فِي الأَخْدَعَيْنِ وَالْكَاهِلِ وَكَانَ يَحْتَجِمُ لِسَبْعَ عَشْرَةَ وَتِسْعَ عَشْرَةَ وَإِحْدَى وَعِشْرِينَ .قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَمَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘাড়ের দুই পাশের শিরায় এবং ঘাড়ের কাছাকাছি পিঠের ফুলা অংশে রক্তক্ষরণ করাতেন। তিনি মাসের সতের, উনিশ ও একুশ তারিখে রক্তক্ষরণ করাতেন।
আবূ ঈসা বলেন, ইবনু আব্বাস ও মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হিজামা বা রক্তমোক্ষণ। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) গলার দুই পাশের শিরায় এবং ঘাড়ের কাছাকাছি পিঠের ফোলা অংশে রক্তক্ষরণ করাতেন। তিনি মাসের সতেরো, উনিশ ও একুশ তারিখে হিজামা করাতেন। হাদিসটি হিজামার জায়গা ও সময় সম্পর্কে সরাসরি তথ্য দেয়। এখানে কোনো অতিরিক্ত দাবি করা দরকার নেই। মূল শিক্ষা হলো, নবীজি চিকিৎসার একটি পদ্ধতি হিসেবে হিজামা গ্রহণ করেছেন এবং নির্দিষ্ট তারিখে তা করার কথা বর্ণনায় এসেছে। চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে হিজামা করতে হলে জ্ঞানী ও নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি হিজামা করাতেন।
- হিজামার জন্য নির্দিষ্ট জায়গার কথা এসেছে।
- ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে হিজামা করার বর্ণনা আছে।
