২৬/১৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৫৭ - বদনজর ও রুকইয়া
ঝাড়ফুঁক ইত্যাদির অনুমতি প্রসঙ্গে
বদনজর রুকইয়া হাদিস: কোন ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক বৈধ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৫৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৫৭
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " لاَ رُقْيَةَ إِلاَّ مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى شُعْبَةُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ حُصَيْنٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ بُرَيْدَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِمِثْلِهِ.
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বদ-নজর ও জ্বর ব্যতীত আর অন্য কোন ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক বৈধ নয়।
আবূ ঈসা বলেন, শুবা এ হাদীসটি হুসাইন-শাবী হতে, তিনি বুরাইদা (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে একইরকম বর্ণনা করেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় রুকইয়া। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, বদনজর ও বিষাক্ত প্রাণীর কামড় ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁক নেই। এই বাক্যটি গুরুত্ব বোঝানোর ভাষা হিসেবে এসেছে—বর্ণনায় বিশেষভাবে দুটি ক্ষেত্রকে তুলে ধরা হয়েছে। বদনজর এবং বিষাক্ত কামড় মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে, তাই সেখানে রুকইয়ার অনুমতি স্পষ্টভাবে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ঝাড়ফুঁককে কুসংস্কার বা নিজের মতো বানানো পদ্ধতি না বানিয়ে শরিয়তের সীমায় রাখা দরকার। ভরসা থাকবে আল্লাহর ওপর, আর রুকইয়া হবে একটি বৈধ মাধ্যম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বদনজরের ক্ষেত্রে রুকইয়ার অনুমতি এসেছে।
- বিষাক্ত প্রাণীর কামড়ের ক্ষেত্রেও ঝাড়ফুঁকের কথা আছে।
- ঝাড়ফুঁক শরিয়তের সীমার মধ্যে হওয়া উচিত।
