২/৪৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০ - আজান শুনে ঈমানের দোয়া
মুয়াযযিনের আযান শুনে যে দোয়া পাঠ করতে হবে
আজান শুনে পড়ার দোয়া: রাদিতু বিল্লাহি রাব্বান এর শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২১০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২১০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ الْحُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ» . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ حُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ .
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শুনে বলবে, “ওয়া আনা আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু, রাযীতু বিল্লাহি রাব্বান ওয়া বিল-ইসলামি দীনান ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রাসূলান” আল্লাহ্ তা’আলা তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। উপরিউক্ত সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শুনে সাক্ষ্য দেয়—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর শরীক নেই; মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর বান্দা ও রাসূল; আমি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন এবং মুহাম্মাদকে রাসূল হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিলাম—তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো আজানের জবাবের সঙ্গে ঈমানের স্বীকৃতি। এই দোয়া শুধু মুখের বাক্য নয়; এতে একজন মুসলিম তার রব, দীন ও রাসূলের প্রতি নিজের অবস্থান নতুন করে স্মরণ করে। তাই আজান শুনে এই দোয়া পড়া হৃদয়কে ঈমানের কথায় ফিরিয়ে আনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজান শুনে ঈমানের সাক্ষ্য নবায়ন করা সুন্দর আমল।
- আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-কে রাসূল মানা ঈমানের মূল কথা।
- দোয়া মুখে বলার পাশাপাশি অর্থ মনে রাখা ভালো।
- আজানের সময়টি গুনাহ মাফের আশা নিয়ে আমলের সুযোগ।
