২৭/১১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০২ - পুত্র জীবিত থাকলে দাদীর মীরাস
দাদীর পুত্রের সাথে একত্রে দাদীর মীরাস
পুত্র জীবিত থাকলেও দাদীর মীরাসের আলোচনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২১০২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২১০২
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ فِي الْجَدَّةِ مَعَ ابْنِهَا إِنَّهَا أَوَّلُ جَدَّةٍ أَطْعَمَهَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ سُدُسًا مَعَ ابْنِهَا وَابْنُهَا حَىٌّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . - وَقَدْ وَرَّثَ بَعْضُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ الْجَدَّةَ مَعَ ابْنِهَا وَلَمْ يُوَرِّثْهَا بَعْضُهُمْ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি এমন এক দাদী সম্পর্কে বলেন যার পুত্রও তার সাথে জীবিত ছিল। সে ছিল প্রথম দাদী, যাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার পুত্রের বর্তমানে তাকে ছয় ভাগের এক অংশ দিয়েছেন।
আবূ ঈসা বলেন, আমরা শুধুমাত্র উল্লেখিত সূত্রেই এ হাদীসটি মারফূ হিসাবে জেনেছি। নাবী (ﷺ)-এর কিছু সাহাবী দাদীকে তার পুত্রের বর্তমানে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেছেন। তাদের অপর দল এক্ষেত্রে তাকে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেননি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দাদীর মীরাসের একটি নির্দিষ্ট দিক এসেছে। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) এমন এক দাদীর কথা বলেন, যার পুত্রও তখন জীবিত ছিল। বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে তার পুত্র জীবিত থাকা সত্ত্বেও ছয় ভাগের এক ভাগ দিয়েছিলেন। হাদিসের শেষে বলা হয়েছে, কিছু সাহাবী দাদীকে তার পুত্রের সাথে মীরাস দিয়েছেন, আবার কিছু সাহাবী দেননি। তাই এই হাদিসে মূল শিক্ষা হলো, মীরাসের বিষয়টি সূক্ষ্ম এবং তা জ্ঞানী ব্যক্তির কাছে জেনে নিতে হয়। এখানে অতিরিক্ত কোনো সাধারণ নিয়ম বানানো নয়, বরং হাদিসে যা এসেছে তাই মূল কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মীরাসের মাসআলা বুঝতে নির্দিষ্ট অবস্থার দিকে নজর দিতে হয়।
- দাদীর অংশ নিয়ে সাহাবীদের মধ্যে আলোচনার বিষয় ছিল।
- হাদিসের ভাষ্য থেকে নিজের মতো অতিরিক্ত বিধান বানানো ঠিক নয়।
- উত্তরাধিকার বিষয়ে জ্ঞানী আলেমের কাছে জিজ্ঞেস করা দরকার।
