৩০/১৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১৫৩ - কদর অস্বীকারকারীদের সতর্কতা
ভাগ্য অবিশ্বাসীদের পরিণতি
কদর অস্বীকারকারীদের জন্য কঠিন বিপদের সতর্কবাণী
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২১৫৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২১৫৩
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي صَخْرٍ، حُمَيْدِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ «يَكُونُ فِي أُمَّتِي خَسْفٌ وَمَسْخٌ وَذَلِكَ فِي الْمُكَذِّبِينَ بِالْقَدَرِ».
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্যে ভাগ্য অবিশ্বাসীদের উপর ভূমিধস ও চেহারা বিকৃতির বিপদ সংঘটিত হবে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২১৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় কদর বা তাকদীর অস্বীকারের ভয়াবহ পরিণতি। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁর উম্মতের মধ্যে যারা কদরকে মিথ্যা বলবে, তাদের মধ্যে ভূমিধস ও চেহারা বিকৃতির বিপদ ঘটবে। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এতে উল্লিখিত সতর্কতার বাইরে অতিরিক্ত ঘটনা বা ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক হবে না। হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো, আল্লাহর নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করা সাধারণ মতপার্থক্য নয়; এটি গুরুতর বিশ্বাসগত বিচ্যুতি। আগের হাদিসগুলোতে তাকদীরের ভালো-মন্দের প্রতি ঈমান আনার কথা এসেছে। এই হাদিস সেই বিশ্বাসের বিপরীত অবস্থান সম্পর্কে সতর্ক করে। তাই একজন মুসলিমের উচিত তাকদীরের বিষয়ে অনুমাননির্ভর কথা না বলা, সঠিক আকিদা শেখা এবং আল্লাহর জ্ঞান ও ফয়সালার প্রতি বিশ্বাস রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কদর বা তাকদীর অস্বীকার করা গুরুতর বিশ্বাসগত ভুল।
- তাকদীর অস্বীকারকারীদের জন্য হাদিসে কঠিন বিপদের সতর্কতা এসেছে।
- আল্লাহর জ্ঞান ও নির্ধারণের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত।
- আকিদার বিষয়ে অনুমাননির্ভর কথা না বলে সঠিক জ্ঞান শেখা দরকার।
