৩৩/৩. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৩০০ - মিথ্যা সাক্ষ্য থেকে বেঁচে থাকা
মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান প্রসঙ্গে
মিথ্যা সাক্ষ্যকে শিরকের সমতুল্য বলা হয়েছে
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৩০০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৩০০
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ الْعُصْفُرِيُّ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ النُّعْمَانِ الأَسَدِيِّ، عَنْ خُرَيْمِ بْنِ فَاتِكٍ الأَسَدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ صَلَّى صَلاَةَ الصُّبْحِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَامَ قَائِمًا فَقَالَ «عُدِلَتْ شَهَادَةُ الزُّورِ بِالشِّرْكِ بِاللَّهِ " . ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ تَلاَ هَذِهِ الآيَةَ ﴾وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ ) إِلَى آخِرِ الآيَةِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا عِنْدِي أَصَحُّ . وَخُرَيْمُ بْنُ فَاتِكٍ لَهُ صُحْبَةٌ وَقَدْ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَحَادِيثَ وَهُوَ مَشْهُورٌ .
খুরাইম ইবনু ফাতিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাজ আদায় করলেন। নামাজ শেষে তিনি দাঁড়িয়ে বলেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকে আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে শরীক করার সমতুল্য গণ্য করা হয়েছে। তিনি এ কথা তিনবার বললেন।তারপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমরা মিথ্যা বলা পরিহার কর”। (সূরাঃ হাজ্জ-৩০)
আবূ ঈসা বলেনঃ এই বর্ণনাটি আমার মতে অধিক সহীহ। খুরাইম ইবনু ফাতিক একজন সাহাবী। তিনি নবী (ﷺ) হতে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৩০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ফজরের নামাজ আদায় করার পর দাঁড়িয়ে বলেন, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকে আল্লাহর সাথে শরীক করার সমতুল্য গণ্য করা হয়েছে। তিনি এই কথা তিনবার বলেন। এরপর তিনি সূরা হজ্জের আয়াত তিলাওয়াত করেন, যেখানে মিথ্যা বলা পরিহারের নির্দেশ আছে। একই কথা তিনবার বলা বিষয়টির গুরুত্ব বোঝায়। মিথ্যা সাক্ষ্য মানুষের অধিকার নষ্ট করতে পারে, অন্যায়কে শক্তিশালী করতে পারে এবং সত্যকে ঢেকে দিতে পারে। তাই একজন মুমিনের জন্য সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সত্য, সততা ও ভয় রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিথ্যা সাক্ষ্য থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকা দরকার।
- একই সতর্কতা তিনবার বলা এর গুরুত্ব বোঝায়।
- সাক্ষ্যে সত্য লুকানো বা মিথ্যা বলা ক্ষতিকর।
- কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী মিথ্যা কথা পরিহার করা উচিত।
