৩৫/৮. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৩০ - কেয়ামতের শিঙ্গা বা সূর কী
শিঙ্গার ফুৎকার প্রসঙ্গে
কেয়ামতের শিঙ্গা বা সূর কী: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সংক্ষিপ্ত উত্তর
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৪৩০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৪৩০
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَسْلَمَ الْعِجْلِيِّ، عَنْ بِشْرِ بْنِ شَغَافٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ مَا الصُّورُ قَالَ «قَرْنٌ يُنْفَخُ فِيهِ» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِهِ .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কোন এক গ্রাম্য লোক নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে প্রশ্ন করল, শিঙ্গা কি? তিনি বললেনঃ এটা একটা শিং যাতে ফুৎকার দেয়া হবে।
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। একাধিক বর্ণনাকারী সুলাইমান আত-তাইমীর সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র তার রিওয়ায়াত হিসাবেই জেনেছি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক গ্রাম্য লোক রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, সূর বা শিঙ্গা কী। তিনি খুব সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার উত্তর দেন—এটি একটি শিং, যাতে ফুঁ দেওয়া হবে। হাদিসে এর আকৃতি, উপাদান, আকার বা ফুঁ দেওয়ার সংখ্যা নিয়ে আর কোনো বিস্তারিত আলোচনা নেই। তাই এই বর্ণনা থেকে শুধু এতটুকুই নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে কেয়ামতের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সূরকে একটি শিং হিসেবে বোঝানো হয়েছে এবং তাতে ফুঁ দেওয়া হবে। সহজ প্রশ্নের সহজ উত্তর দেওয়ার নববী পদ্ধতিও এখানে দেখা যায়। হাদিসটির মূল বিষয় কেয়ামতের শিঙ্গা বা সূর। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কল্পিত ছবি বা অতিরিক্ত বিবরণ যোগ না করে বর্ণনার সীমার মধ্যে থাকা জরুরি। এটি কেয়ামতের দিনের সত্যতা ও শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়ার ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর বা শিঙ্গাকে একটি শিং বলা হয়েছে।
- কেয়ামতের সময় সেই শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে।
- হাদিসে নেই এমন আকৃতি বা বিস্তারিত তথ্য যোগ করা উচিত নয়।
