৩৫/৪৩. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৮৬ - কৃতজ্ঞ আহারকারী ও ধৈর্যশীল রোজাদার

কৃতজ্ঞ ভোজনকারী

কৃতজ্ঞ আহারকারী ও ধৈর্যশীল রোজাদারের সমান মর্যাদা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৪৮৬

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْنٍ الْمَدَنِيُّ الْغِفَارِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " الطَّاعِمُ الشَّاكِرُ بِمَنْزِلَةِ الصَّائِمِ الصَّابِرِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল রোজাদারের সমান মর্যাদাশীল।

আবু ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে কৃতজ্ঞতা ও ধৈর্যের সুন্দর তুলনা করা হয়েছে। একজন মানুষ খাবার গ্রহণ করছে এবং আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ থাকছে। অন্যজন রোজা রেখে ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় ধৈর্য ধরছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কৃতজ্ঞ আহারকারী ধৈর্যশীল রোজাদারের সমান মর্যাদাশীল। এর মানে হলো, শুধু না খাওয়ার কষ্টই মূল্যবান নয়; খেতে পেয়ে নিয়ামতদাতাকে স্মরণ করা এবং কৃতজ্ঞ থাকাও বড় আমল। হাদিসে আহারকারীকে সাধারণ ভোগী হিসেবে দেখানো হয়নি। তার বিশেষ গুণ হলো শোকর। একইভাবে রোজাদারের বিশেষ গুণ হলো সবর। তাই জীবনের দুই অবস্থায়ই আল্লাহর আনুগত্যের সুযোগ আছে—নিয়ামত পেলে কৃতজ্ঞতা, আর কষ্ট বা সংযমের সময়ে ধৈর্য। এই ভারসাম্যই হাদিসটির মূল শিক্ষা। উভয় অবস্থায় সচেতন বান্দা আল্লাহকে স্মরণ করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খাবার ও নিয়ামত পেয়ে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা মর্যাদার আমল।
  • রোজার কষ্টে ধৈর্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • সচ্ছলতা ও সংযম—দুই অবস্থাতেই আল্লাহর আনুগত্যের সুযোগ আছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন