২/৭৪. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৫১ - নামাজে দুই বিরতির শিক্ষা

দুই বিরতি স্থান

নামাজে বিরতি কোথায় দেওয়া হয়: সহজ ব্যাখ্যা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৫১

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، قَالَ سَكْتَتَانِ حَفِظْتُهُمَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ . فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ وَقَالَ حَفِظْنَا سَكْتَةً . فَكَتَبْنَا إِلَى أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ بِالْمَدِينَةِ فَكَتَبَ أُبَىٌّ أَنْ حَفِظَ سَمُرَةُ . قَالَ سَعِيدٌ فَقُلْنَا لِقَتَادَةَ مَا هَاتَانِ السَّكْتَتَانِ قَالَ إِذَا دَخَلَ فِي صَلاَتِهِ وَإِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ . ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ وَإِذَا قَرَأَ : ﴾وَلاَ الضَّالِّينَ ﴿ . قَالَ وَكَانَ يُعْجِبُهُ إِذَا فَرَغَ مِنَ الْقِرَاءَةِ أَنْ يَسْكُتَ حَتَّى يَتَرَادَّ إِلَيْهِ نَفَسُهُ .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَمُرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يَسْتَحِبُّونَ لِلإِمَامِ أَنْ يَسْكُتَ بَعْدَ مَا يَفْتَتِحُ الصَّلاَةَ وَبَعْدَ الْفَرَاغِ مِنَ الْقِرَاءَةِ . وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ وَأَصْحَابُنَا .

সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট হতে দু’টি বিরতিস্থান মুখস্থ করে নিয়েছি। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) এতে ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, আমি একটি মাত্র বিরতিস্থান মুখস্থ করেছি। (সামুরা বলেন, এর মীমাংসার জন্য) আমরা মাদীনায় উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর কাছে পত্র লেখলাম। তিনি উত্তরে লিখে জানালেন, সামুরাই সঠিকভাবে মুখস্থ রেখেছে।সাঈদ বলেন, আমরা কাতাদাকে প্রশ্ন করলাম, বিরতি দু’টো কোন কোন জায়গায়? তিনি বলেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) নামাযে প্রবেশ করতেন (তাকবিরে তাহরীমা বাঁধার পর) এবং যখন কিরা’আত শেষ করতেন। পরে তিনি (কাতাদা) বললেন, যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) ‘অলায-যআল্লীন’ পাঠ করতেন। রাবী বলেন, কিরা’আত পাঠের পর তিনি ভালভাবে নিঃশ্বাস নেয়া পর্যন্ত বিরতি দেওয়া খুবই পছন্দ করতেন।

এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, সামুরার হাদীসটি হাসান। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম নামায শুরু করার পর এবং কিরা’আত শেষ করার পর ইমামের জন্য বিরতি দেওয়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। ইমাম আহমাদ, ইসহাক ও আমাদের (তিরমিযীর) সঙ্গীরা এ মতের সমর্থক।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৫১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সমুরা রাঃ বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে নামাজের দুইটি বিরতির কথা মুখস্থ করেছেন। এক বিরতি ছিল নামাজে প্রবেশ করার পর, অর্থাৎ তাকবীরে তাহরিমার পর। আরেকটি ছিল কিরাআত শেষ করার পর। পরে কাতাদা বলেন, যখন তিনি ওয়ালাদ্দাল্লীন পড়তেন। বর্ণনায় আরও এসেছে, কিরাআত শেষ হলে ভালোভাবে নিঃশ্বাস ফিরে আসা পর্যন্ত বিরতি দেওয়া পছন্দ করা হতো। এই হাদিস নামাজের ভেতরের শৃঙ্খলা শেখায়। দ্রুত পড়ে তাড়াহুড়া না করে, কিরাআতের পরে স্বাভাবিক বিরতি রাখা নামাজকে শান্ত করে। তবে হাদিসের কথার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত নিয়ম বানানো ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নামাজে তাকবিরের পর ও কিরাআত শেষে বিরতির বর্ণনা আছে।
  • কিরাআত শেষে তাড়াহুড়া না করে স্বাভাবিকভাবে থামা ভালো।
  • নামাজে শান্তভাবে পড়া ও দাঁড়ানো শেখা দরকার।
  • বর্ণনায় যতটুকু এসেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুর মধ্যে থাকা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন