৩৬/২৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৫৭০ - ফুরাত থেকে স্বর্ণের পাহাড় বের হওয়ার বর্ণনা
ফুরাতের ভাণ্ডার
ফুরাত নদীর স্বর্ণের পাহাড়: হাদিসের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৫৭০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৫৭০
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ مِثْلَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ " يَحْسِرُ عَنْ جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা আছে। তবে এতে তিনি বলেছেনঃ “ফুরাত হতে স্বর্ণের একটি পাহাড় বের হবে ”।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৫৭০-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: ফুরাতের স্বর্ণ। এই বর্ণনায় আগের হাদিসের একই ঘটনাকে আরেকভাবে বলা হয়েছে। এখানে ‘স্বর্ণের ভাণ্ডার’-এর বদলে ‘স্বর্ণের একটি পাহাড়’ প্রকাশ পাওয়ার কথা এসেছে। তাই মূল ঘটনা হলো ফুরাত নদীর নিচ থেকে বিপুল স্বর্ণ বের হওয়া। আগের বর্ণনায় উপস্থিত ব্যক্তিকে তা থেকে কিছু না নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আর এই বর্ণনা সেই স্বর্ণের পরিমাণ বা দৃশ্যকে পাহাড় শব্দের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট করে। হাদিসে কোনো তারিখ, বর্তমান খনি, বাঁধ বা সাম্প্রতিক নদীর অবস্থাকে সরাসরি শনাক্ত করা হয়নি। তাই সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো কোনো ছবি বা খবর দেখে নিশ্চিতভাবে বলা উচিত নয় যে ঘটনাটি ঘটে গেছে। হাদিসের প্রতি সম্মান দেখানোর অর্থ হলো বর্ণনার শব্দ ঠিক রাখা, অপ্রমাণিত মিল খোঁজা থেকে বিরত থাকা এবং স্বর্ণ প্রকাশের ঘটনাটি সম্পর্কে দেওয়া মূল সতর্কতা মনে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনায় ফুরাত থেকে স্বর্ণের পাহাড় প্রকাশ পাওয়ার কথা এসেছে।
- এই হাদিস আগের বর্ণনার একই ঘটনাকে ভিন্ন ভাষায় তুলে ধরে।
- তারিখ বা বর্তমান কোনো ঘটনাকে প্রমাণ ছাড়া এর সঙ্গে মিলানো উচিত নয়।
