৫২/৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৩৮ - ফোরাত নদীর স্বর্ণের খনি
ফোরাত নদী সোনার পাহাড় উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না।
ফোরাত নদীর স্বর্ণের খনি: লোভ থেকে বাঁচার সতর্কতা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৩৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৩৮
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يُوشِكُ الْفُرَاتُ أَنْ يَحْسِرَ عَنْ كَنْزٍ مِنْ ذَهَبٍ، فَمَنْ حَضَرَهُ فَلاَ يَأْخُذْ مِنْهُ شَيْئًا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত নদী তার গর্ভস্থ স্বর্ণের খনি বের করে দেবে। সে সময় যারা উপস্থিত থাকবে তারা যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৯২: ফিতনা, অধ্যায় ২৪, হাঃ ৭১১৯; মুসলিম, পর্ব ৫২: ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায় ৮, হাঃ ২৮৯৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফোরাত নদী সম্পর্কে একটি ভবিষ্যৎ সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত নদী তার গর্ভস্থ স্বর্ণের খনি বের করে দেবে। তখন যারা সেখানে উপস্থিত থাকবে, তারা যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে। হাদিসের মূল বিষয় হলো ফোরাত নদীর স্বর্ণ এবং তা গ্রহণ না করার নির্দেশ। এখানে কেন, কবে বা কীভাবে—এসব বিষয়ে বাড়তি আলোচনা হাদিসে নেই। তাই নিরাপদ ব্যাখ্যা হলো, নবী (صلى الله عليه وسلم) এমন এক অবস্থার কথা জানিয়েছেন যেখানে স্বর্ণ পাওয়া গেলেও তা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এই হাদিস কিয়ামতের আলামত, ফোরাত নদী এবং স্বর্ণের খনি নিয়ে মানুষের কৌতূহলের উত্তর দেয়। একই সঙ্গে এটি লোভের সময় সংযমের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফোরাত নদী স্বর্ণের খনি বের করবে—এ কথা হাদিসে এসেছে।
- উপস্থিত ব্যক্তিদের তা থেকে কিছু না নিতে বলা হয়েছে।
- স্বর্ণের মতো মূল্যবান জিনিস দেখেও সংযম দরকার হতে পারে।
- হাদিসের নির্দিষ্ট নির্দেশের বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
