৫২/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৩০ - ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীরে ছিদ্র
ফিতনা নিকটবর্তী হওয়া এবং ইয়াজুজ মাজুজের (দেয়াল) খুলে যাওয়া।
ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীরের ছিদ্র: কিয়ামতের আলামতের সতর্কতা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৩০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৩০
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَتَحَ اللهُ مِنْ رَدْمِ يَاجُوجَ وَمَاجُوجَ مِثْلَ هذَا وَعَقَدَ بِيَدِهِ تِسْعِينَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে আল্লাহ এ পরিমাণ ছিদ্র করে দিয়েছেন। এই বলে, তিনি তাঁর হাতে নব্বই সংখ্যার আকৃতির মত করে দেখালেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬০: নবীগণের (আঃ) হাদীসসমূহ, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩৩৪৭; মুসলিম, পর্ব ৫২: ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায় ১, হাঃ ২৮৮১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর নিয়ে সংক্ষিপ্ত একটি বর্ণনা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আল্লাহ তাদের প্রাচীরে এ পরিমাণ ছিদ্র করে দিয়েছেন। এরপর তিনি হাতে নব্বই সংখ্যার মতো আকৃতি করে দেখালেন। হাদিসের ভাষা খুব ছোট, তাই এর বাইরে কোনো গল্প বা বাড়তি ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক নয়। মূল বিষয় হলো, নবী (صلى الله عليه وسلم) একটি ভবিষ্যৎমুখী সতর্কতার কথা জানিয়েছেন এবং হাতের ইশারায় তার পরিমাণ বুঝিয়েছেন। যারা ইয়াজুজ-মাজুজের হাদিস, কিয়ামতের আলামত এবং প্রাচীরের ছিদ্র সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক। এটি আমাদের আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং সতর্ক জীবনযাপনের দিকে ডাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরের ছিদ্রের কথা হাদিসে এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) হাতে ইশারা করে ছিদ্রের পরিমাণ দেখিয়েছেন।
- কিয়ামতের আলামত সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
