৪১/৬৮. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৮৪২ - মুহাম্মদ নাম ও আবুল কাসিম ডাকনামের বিধান
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নাম ও ডাকনাম একত্রে মিলিয়ে কারো নাম রাখা মাকরূহ।
মুহাম্মদ নাম রাখলে আবুল কাসিম ডাকনাম দেওয়া যাবে কি?
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৮৪২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৮৪২
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِذَا سَمَّيْتُمْ بِاسْمِي فَلاَ تَكْتَنُوا بِي " . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখলে এক সঙ্গে আমার ডাকনামও রেখো না।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং এই সূত্রে গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৮৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় নাম ও ডাকনাম ব্যবহারের একটি সীমা জানিয়েছেন। তাঁর নামে, অর্থাৎ মুহাম্মদ নামে কারও নাম রাখা হলে একই ব্যক্তিকে তাঁর ডাকনামেও ডাকা যাবে না। এখানে মূল নির্দেশটি হলো—নবী صلى الله عليه وسلم-এর নাম গ্রহণ করা এবং তাঁর বিশেষ ডাকনাম গ্রহণ করাকে এক ব্যক্তির মধ্যে একত্র না করা। হাদিসে অন্য নাম বা সাধারণ ডাকনাম নিষিদ্ধ বলা হয়নি। তাই বক্তব্যটিকে কেবল উল্লিখিত বিষয়ের মধ্যেই রাখা জরুরি। শিশুর নাম রাখার সময় পরিবার অনেক সময় সুন্দর নামের সঙ্গে একটি ডাকনামও ঠিক করে। এ ক্ষেত্রে এই হাদিস মনে রাখলে নাম নির্বাচনে সতর্কতা বজায় থাকে। সহজভাবে বললে, মুহাম্মদ নাম রাখা হলে আবুল কাসিম ডাকনাম একসঙ্গে না রাখাই হাদিসের সরাসরি নির্দেশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহাম্মদ নামে নাম রাখলে একই ব্যক্তিকে আবুল কাসিম ডাকনাম দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
- হাদিসের নির্দেশটি নির্দিষ্ট নাম ও ডাকনামের সমন্বয় সম্পর্কে।
- শিশুর নাম ও ডাকনাম ঠিক করার আগে হাদিসের নির্দেশ জানা দরকার।
- হাদিসে বলা হয়নি এমন অন্য নাম বা ডাকনামকে নিষিদ্ধ বলা উচিত নয়।
