৪২/৯. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৮৯১ - সূরা মুলকের সুপারিশ ও ক্ষমার ফজিলত
সূরা আল-মুল্কের ফজিলত
সূরা মুলকের ৩০ আয়াত: সুপারিশ ও ক্ষমার ফজিলত
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৮৯১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৮৯১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبَّاسٍ الْجُشَمِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " إِنَّ سُورَةً مِنَ الْقُرْآنِ ثَلاَثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ وَهِيَ سُورَةُ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ " . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোরআনের মধ্যে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা আছে যেটি কারো পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেয়া হয়। এ সূরাটি হল তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুল্ক।
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৮৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআনের ত্রিশ আয়াতের একটি সূরার কথা বলা হয়েছে, যা একজন মানুষের পক্ষে সুপারিশ করেছে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করা হয়েছে। নবী صلى الله عليه وسلم স্পষ্ট করেছেন, সেই সূরাটি হলো ‘তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক’, অর্থাৎ সূরা আল-মুলক। হাদিসের মূল বিষয় হলো সূরা মুলকের ফজিলত, তার ত্রিশ আয়াত এবং সুপারিশের বর্ণনা। এখানে এমন কথা নেই যে শুধু মুখে একবার পড়লেই সব অবস্থায় ক্ষমা নিশ্চিত। বরং নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির জন্য সূরাটির সুপারিশের ঘটনা বলা হয়েছে। তাই ভাষা ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া দরকার। এই হাদিস মানুষকে সূরা মুলকের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক গড়তে উৎসাহিত করে। তিলাওয়াতের সময় সূরাটির অর্থ বোঝা ও মনে রাখা কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারে, যদিও এই অতিরিক্ত কাজের নির্দিষ্ট সওয়াব এখানে আলাদা করে বলা হয়নি। নিয়মিত পাঠকে অবহেলা না করে বিনয়ের সঙ্গে আল্লাহর ক্ষমা আশা করাই উপযুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা মুলক ত্রিশ আয়াতের একটি সূরা।
- হাদিসে সূরা মুলকের সুপারিশের কথা এসেছে।
- সেই সুপারিশ একজনের ক্ষমার কারণ হয়েছে।
- ফজিলত বলার সময় হাদিসের ভাষার সীমা বজায় রাখা উচিত।
