৪৪/৩৮. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩২৩১ - সাম, হাম ও ইয়াফিসের বংশপরিচয়
সূরা আস-সাফফাত
আরব, হাবশী ও রুমীয়দের আদি পিতা সম্পর্কে হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩২৩১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩২৩১
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " سَامٌ أَبُو الْعَرَبِ وَحَامٌ أَبُو الْحَبَشِ وَيَافِثُ أَبُو الرُّومِ " .
সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩২৩১-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: জাতির বংশ। এই হাদিসে তিনটি বড় জাতিগোষ্ঠীর বংশপরিচয় খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, সাম আরবদের আদি পিতা, হাম হাবশীদের আদি পিতা এবং ইয়াফিস রুমীয়দের আদি পিতা। আগের হাদিসে নূহ (আ.)-এর বেঁচে থাকা বংশধর হিসেবে হাম, সাম ও ইয়াফিসের নাম এসেছে; এই বর্ণনায় তাদের সঙ্গে নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর সম্পর্ক বলা হয়েছে। হাদিসের বক্তব্য বংশপরিচয়ের সীমিত তথ্য দেয়। এতে জাতিগত মর্যাদা, শ্রেষ্ঠত্ব বা নীচতার কোনো কথা নেই। তাই এই বর্ণনা ব্যবহার করে কোনো জাতিকে বড় বা ছোট দেখানো ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো, মানবসমাজ নানা বংশ ও জাতিতে ছড়িয়ে পড়েছে, আর হাদিসটি আরব, হাবশী ও রুমীয়দের আদি বংশের নাম উল্লেখ করেছে। বিষয়টি নূহ (আ.)-এর বংশধর সম্পর্কিত আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সামকে আরবদের আদি পিতা বলা হয়েছে।
- হামকে হাবশীদের আদি পিতা বলা হয়েছে।
- ইয়াফিসকে রুমীয়দের আদি পিতা বলা হয়েছে।
- হাদিসে জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের কোনো দাবি করা হয়নি।
