৪৬/১২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬৪৬ - নবীজির মুখ, চোখ ও জঙ্ঘার বর্ণনা
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ, চোখ ও পায়ের আকৃতি
রাসূলুল্লাহর দৈহিক গঠন: মুখ, চোখ ও জঙ্ঘার বর্ণনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৬৪৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৬৪৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو قَطَنٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ ضَلِيعَ الْفَمِ أَشْكَلَ الْعَيْنَيْنِ مَنْهُوسَ الْعَقِبِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর মুখ ছিল বেশ দীর্ঘ, চোখ দুটি ছিল লাল এবং পায়ের জঙ্ঘা ছিল শীর্ণকায়।
আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬৪৬-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: দৈহিক গঠন। এই হাদিসে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর শরীরের তিনটি দিক সংক্ষেপে এসেছে—মুখ, চোখ এবং পায়ের জঙ্ঘা। বর্ণনায় বলা হয়েছে, তাঁর মুখ ছিল বেশ দীর্ঘ, চোখ দু’টি ছিল লাল, আর পায়ের জঙ্ঘা ছিল শীর্ণকায়। এটি একটি সরল শারীরিক বর্ণনা। এখানে আচার, বিধান বা আলাদা কোনো আমলের কথা নেই। তাই “রাসূলুল্লাহর দৈহিক গঠন” নিয়ে আলোচনা করলে হাদিসের নির্দিষ্ট শব্দগুলো ধরে বলা উচিত, বাড়তি দাবি করা উচিত নয়। সাহাবীদের বর্ণনা থেকে আমরা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর বাহ্যিক গঠনের কিছু ছবি পাই, তবে তা সম্মানের সাথে এবং সীমা রেখে বুঝতে হয়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, নবীজির জীবন জানার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বর্ণনা কত মূল্যবান।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে নবীজির মুখ, চোখ ও জঙ্ঘার বর্ণনা এসেছে।
- শারীরিক বর্ণনা ব্যাখ্যার সময় অতিরিক্ত কথা না বাড়ানো ভালো।
- সাহাবীরা সরাসরি দেখা বিষয় সংক্ষেপে বলেছেন।
- নবীজির পরিচয় জানার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
