৪৬/১৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬৭৩ - আবু বকর (রাঃ) উপস্থিত থাকলে ইমামতি
আবু বাকর ও উমর (রাঃ)-এর গুণাবলী
আবু বকর (রাঃ) উপস্থিত থাকলে ইমামতির হক কার?
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৬৭৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৬৭৩
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ مَيْمُونٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَنْبَغِي لِقَوْمٍ فِيهِمْ أَبُو بَكْرٍ أَنْ يَؤُمَّهُمْ غَيْرُهُ» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ .
আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন জাতির মধ্যে আবূ বাক্র হাজির থাকতে তাদের ইমামতি করা অন্য কারো জন্য কাম্য নয়।
আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদিসটি গারীব। অত্যন্ত দুর্বল, যঈফা (৪৮২০)
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৬৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো জাতির মধ্যে আবু বকর (রাঃ) উপস্থিত থাকলে অন্য কারও তাদের ইমামতি করা কাম্য নয়। বাক্যটি সরাসরি আবু বকর (রাঃ)-এর নামাজের নেতৃত্বের মর্যাদা তুলে ধরে। ৩৬৭২ নম্বর বর্ণনায় নবীজি তাঁকে নামাজ পড়াতে বলেছিলেন; এখানে বিষয়টি আরও সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের ভাষার সীমা রাখা জরুরি। এই আবু বকর ইমামতি হাদিস থেকে আমরা বুঝি, নবীজি তাঁর দ্বীনী যোগ্যতা ও অবস্থানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ইমামতি শুধু সামনে দাঁড়ানো নয়; মানুষের আস্থা, কিরাআত, দ্বীনী মর্যাদা এবং দায়িত্বের সঙ্গেও জড়িত। এই হাদিসে সেই সম্মান আবু বকর (রাঃ)-এর জন্য বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবু বকর (রাঃ)-এর উপস্থিতিতে তাঁর ইমামতির মর্যাদা স্পষ্ট।
- নামাজের নেতৃত্ব দায়িত্বপূর্ণ কাজ।
- দ্বীনী মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে সামনে রাখা ভালো।
- হাদিসের ভাষাকে বাড়িয়ে না বলে সরাসরি শিক্ষা নেওয়া উচিত।
