৪৬/৬৪. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৯২ - সাফিয়া (রাঃ)-এর আত্মমর্যাদা

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্ত্রীগণের মর্যাদা

সাফিয়া (রাঃ)-এর মর্যাদা: পরিচয় নিয়ে অহংকারের জবাব

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮৯২

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا هَاشِمٌ، هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ الْكُوفِيُّ حَدَّثَنَا كِنَانَةُ، قَالَ حَدَّثَتْنَا صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَىٍّ، قَالَتْ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَقَدْ بَلَغَنِي عَنْ حَفْصَةَ وَعَائِشَةَ كَلاَمٌ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ " أَلاَ قُلْتِ فَكَيْفَ تَكُونَانِ خَيْرًا مِنِّي وَزَوْجِي مُحَمَّدٌ وَأَبِي هَارُونُ وَعَمِّي مُوسَى " . وَكَانَ الَّذِي بَلَغَهَا أَنَّهُمْ قَالُوا نَحْنُ أَكْرَمُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ مِنْهَا . وَقَالُوا نَحْنُ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ ﷺ وَبَنَاتُ عَمِّهِ .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ . قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ صَفِيَّةَ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ هَاشِمٍ الْكُوفِيِّ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِذَلِكَ الْقَوِيِّ .

সাফিয়্যা বিনতু হুয়াই (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট এলেন, হাফসা ও আইশা (রাঃ) হতে আমার সম্পর্কে কিছু কথা আমার নিকট পৌঁছুল। ঐ বিষয়টি আমি তাঁর নিকট উল্লেখ করলাম, তিনি বললেনঃ তুমি একথা কেন বললেনা যে, তোমরা আমার চেয়ে কিভাবে উত্তম হতে পার? বাস্তব অবস্থা হল, আমার স্বামী মুহাম্মাদ, পিতা হারুন আর চাচা হল মূসা (আঃ) সাফিয়্যার নিকট পৌঁছেছিল তা এই যে, তাঁরা বলেছিল আমরা তাঁর চেয়ে সম্মানিত, কেননা আমরা রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী আবার তাঁর চাচাত বোন।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র হাশিম আল কূফীর সূত্রেই সুফিয়্যা (রাঃ)-এর হাদীসটি জেনেছি। এর সনদ সূত্র মজবুত নয়।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৯২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাফিয়া (রাঃ)-এর মনে কষ্টের একটি ঘটনা এসেছে। তাঁর কাছে হাফসা ও আয়িশা (রাঃ)-এর কিছু কথা পৌঁছেছিল। তিনি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে উল্লেখ করেন। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে এমন উত্তর শেখালেন, যাতে তাঁর নিজের মর্যাদা পরিষ্কার হয়: তাঁর স্বামী মুহাম্মদ (صلى الله عليه وسلم), পিতা হারুন (আঃ), আর চাচা মূসা (আঃ)। হাদিসের মধ্যে বলা হয়েছে, তাঁর কাছে যে কথা পৌঁছেছিল তা ছিল—তারা নিজেদের রাসূলের স্ত্রী এবং তাঁর চাচাত বোন হওয়ার কারণে বেশি সম্মানিত বলেছে। এই বর্ণনা শেখায়, বংশ বা সম্পর্ক নিয়ে অহংকার করা ঠিক নয়। কারও হৃদয়ে কষ্ট দিলে তা ঠিক করে দেওয়া দরকার। তাই নিজের মর্যাদা জানাও দরকার, আবার অন্যের মর্যাদা নষ্ট না করাও জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অন্যকে ছোট করে নিজের মর্যাদা দেখানো উচিত নয়।
  • কষ্ট পেলে তা শান্তভাবে সঠিক জায়গায় বলা যায়।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) সাফিয়া (রাঃ)-কে সম্মানের সঙ্গে জবাব শেখালেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন