৪৬/৬৭. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৯১২ - বানু নাজ্জারের ঘরের মর্যাদা
আনসারদের কোন ঘর শ্রেষ্ঠ?
বানু নাজ্জারের মর্যাদা: আনসারদের ঘরের মধ্যে বিশেষ সম্মান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৯১২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৯১২
حَدَّثَنَا أَبُو السَّائِبِ، سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ بْنِ سَلْمٍ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " خَيْرُ دِيَارِ الأَنْصَارِ بَنُو النَّجَّارِ " . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আনসারদের ঘরগুলোর মাঝে বানু নাজ্জারই সবচাইতে ভাল।
আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি এই সূত্রে গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৯১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আনসারদের ঘরগুলোর মধ্যে বানু নাজ্জারই সবচেয়ে ভাল। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাও সংযত হওয়া দরকার। এখানে মূল বিষয় বানু নাজ্জারের মর্যাদা এবং আনসার পরিবারের ফজিলত। অন্য কোনো পরিবারকে ছোট করার কথা এই বর্ণনায় নেই। বরং অন্য বর্ণনা অনুযায়ী, আনসারদের সব ঘরেই কল্যাণ আছে—এটি প্রাসঙ্গিকভাবে মনে রাখা যায়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, নবী صلى الله عليه وسلم যাদের বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন তাদের সম্মান করা উচিত। তবে প্রশংসা যেন গর্ব, দলাদলি বা অন্যকে ছোট করার কারণ না হয়। মর্যাদা আল্লাহর দান; তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। বানু নাজ্জারের কথা স্মরণ করলে আনসারদের সামগ্রিক অবদানও সম্মানের সঙ্গে মনে আসে। সম্মান বজায় থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বানু নাজ্জারের বিশেষ মর্যাদা হাদিসে এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি বানানো ঠিক নয়।
- কারও ফজিলত বলা মানে অন্যকে ছোট করা নয়।
- মর্যাদা কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করা উচিত।
