৪৬/৭২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৯৩৮ - আনাস (রাঃ)-এর আযদ পরিচয় নিয়ে কথা
ইয়ামানের মর্যাদা
আযদ পরিচয়: আনাস (রাঃ)-এর কথায় আত্মমর্যাদার শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৯৩৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৯৩৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنِي غَيْلاَنُ بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ إِنْ لَمْ نَكُنْ مِنَ الأَزْدِ فَلَسْنَا مِنَ النَّاسِ .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমরা আয্দ গোত্রভুক্ত না হলে উত্তম মানুষই হতাম না।
আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৯৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, আমরা আযদ গোত্রভুক্ত না হলে উত্তম মানুষই হতাম না। এটি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সরাসরি উক্তি নয়; বরং আনাস (রাঃ)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় এই সীমা রাখা দরকার। এখানে মূল বিষয় হলো “আযদ পরিচয়” এবং নিজের গোত্র বা পরিচয়ের প্রতি সম্মানবোধ। তবে এই কথাকে অন্যকে ছোট করার ভাষা বানানো ঠিক নয়। হাদিসের কাছাকাছি বর্ণনাগুলোতে ইয়ামানী ও আযদদের কিছু গুণের কথা এসেছে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় শুধু আনাস (রাঃ)-এর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য আছে। তাই সহজভাবে বলা যায়, ভালো পরিচয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকা স্বাভাবিক, তবে অহংকার নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
- আযদ পরিচয়ের প্রতি সম্মানের অনুভূতি দেখা যায়।
- নিজ পরিচয় নিয়ে কৃতজ্ঞতা রাখা যায়, কিন্তু অহংকার করা ঠিক নয়।
- বর্ণনার সীমা মেনে ব্যাখ্যা করা জরুরি।
