৩/১২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪৬৮ - ভোরের আগে বিতর পড়ার তাগিদ
ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নেয়া
ভোর হওয়ার পূর্বে বিতর আদায়: সময়ের প্রতি সচেতন থাকার শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৪৬৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৪৬৮
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " أَوْتِرُوا قَبْلَ أَنْ تُصْبِحُوا " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নাও।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ভোর হওয়ার পূর্বেই বিতর আদায় করে নাও। এখানে “ভোর” বলতে রাত শেষ হয়ে ফজরের সময় আসার আগের দিকটি বোঝা যায়। মূল শিক্ষা হলো, বিতর নামাজকে রাতের শেষ সীমা পর্যন্ত ফেলে রেখে ফজরের সময় ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকি না নেওয়া। যারা বিতর নামাজের সময় নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সহজ ভাষায় বলে দেয়—ফজর আসার আগে বিতর শেষ করতে হবে। একই বিষয়ের আরেক বর্ণনার মতো এখানে কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই; বরং একটি সরাসরি নির্দেশ আছে। নামাজে সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে এ ধরনের সংক্ষিপ্ত বাণী খুব কার্যকর।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভোর হওয়ার আগে বিতর আদায় করতে বলা হয়েছে।
- নামাজকে এমনভাবে দেরি না করা উচিত যাতে সময় চলে যায়।
- বিতর রাতের শেষ অংশের সঙ্গে যুক্ত একটি আমল হিসেবে এসেছে।
- সময়ের আগে আমল শেষ করা নিরাপদ ও সচেতন পদ্ধতি।
