৪/৩৯. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৪৭ - ভয় না থাকলেও সফরে কসর নামাজ
সফরকালে নামাজ কসর করা
ভয় না থাকলেও সফরে দুই রাকাত কসর
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৫৪৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৫৪৭
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ زَاذَانَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ خَرَجَ مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ لاَ يَخَافُ إِلاَّ اللَّهَ رَبَّ الْعَالَمِينَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মক্কার উদ্দেশ্যে মাদীনা হতে বের হলেন। এ সময় সারা বিশ্বের প্রতিপালক ছাড়া আর কারো ভয় তাঁর ছিল না। তিনি (চার রাকাত ফরজের স্থলে) দুই রাকাত আদায় করেছেন।
আবূ ‘ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৫৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট হয়েছে: নবী صلى الله عليه وسلم মদিনা থেকে মক্কার দিকে সফর করেছিলেন এবং তখন সারা জগতের প্রতিপালক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ভয় ছিল না। তবু তিনি চার রাকাতের নামাজ দুই রাকাত আদায় করেছেন। তাই “ভয় না থাকলেও সফরে কসর নামাজ” এই হাদিসের মূল বার্তা। বর্ণনাটি দেখায়, এখানে দুই রাকাত পড়ার ঘটনা শুধু শত্রুভয়ের অবস্থার সঙ্গে জড়িত ছিল না; স্বাভাবিক সফরেও এই আমল হয়েছে। তবে হাদিসে সফরের মোট দূরত্ব, অবস্থানের দিন বা কসরের সব শর্ত বলা হয়নি। তাই এ থেকে অতিরিক্ত নিয়ম বানানো ঠিক হবে না। প্রদত্ত বক্তব্যের সীমায় বলা যায়, মদিনা থেকে মক্কার সফরে নবী صلى الله عليه وسلم নিরাপদ অবস্থায়ও চার রাকাতের ফরজ দুই রাকাত করে আদায় করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শত্রুভয় না থাকলেও নবী صلى الله عليه وسلم সফরে দুই রাকাত পড়েছেন।
- কসর নামাজের ঘটনা মদিনা থেকে মক্কার সফরে ঘটেছে।
- হাদিসে কসরের সব শর্ত বা দূরত্বের বিস্তারিত নেই।
