৬/১৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০৪ - দেরিতে সাহরি খাওয়ার বর্ণনা
বিলম্ব করে সাহরি খাওয়া
দেরিতে সাহরি: পঞ্চাশ আয়াত পাঠের সমান ব্যবধান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭০৪
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭০৪
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، بِنَحْوِهِ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ قَدْرُ قِرَاءَةِ خَمْسِينَ آيَةً. قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ حُذَيْفَةَ. قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ. وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ اسْتَحَبُّوا تَأْخِيرَ السُّحُورِ .
হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের ন্যায় বর্ণনা করেছেন হান্নাদ ওয়াকী হতে, তিনি হিশাম হতে। তাতে আছে “পঞ্চাশ আয়াত পাঠের সমপরিমাণ”। হুযাইফা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার মতোই একই ঘটনা তুলে ধরে। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, সাহরি শেষ করা ও নামাজের মাঝে পঞ্চাশ আয়াত পাঠের সমপরিমাণ সময় ছিল। অর্থাৎ এটি নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নয়; বরং একই বক্তব্যের আরেকটি বর্ণনাসূত্র। প্রদত্ত পাঠে আরও উল্লেখ আছে যে হুযাইফা (রাঃ) থেকেও এ বিষয়ে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর বর্ণনাকে হাসান সহিহ বলেছেন। পাঠের শেষে শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের সাহরি দেরিতে খাওয়াকে পছন্দ করার কথা এসেছে। তাই মূল বিষয় হলো সাহরি শেষ রাতের দিকে করা, তবে ফজরের নামাজের সময় ও প্রস্তুতি যেন নষ্ট না হয়। নির্দিষ্ট মিনিট এখানে বলা হয়নি। একই সঙ্গে বর্ণনাটির মান সম্পর্কেও পাঠে পরিষ্কার মূল্যায়ন রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি আগের হাদিসের একই ঘটনার আরেকটি বর্ণনা।
- সাহরি ও নামাজের ব্যবধান পঞ্চাশ আয়াত পাঠের সময়ের মতো ছিল।
- বর্ণনায় সাহরি দেরিতে করার পছন্দনীয়তার কথা এসেছে।
- ফজরের নামাজের সময় রক্ষা করাই ব্যবধানের ব্যবহারিক দিক।
