৬/১৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০৩ - সাহরি ও ফজরের সময়ের ব্যবধান
বিলম্ব করে সাহরি খাওয়া
সাহরির শেষ সময়: ফজরের আগে পঞ্চাশ আয়াতের ব্যবধান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭০৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭০৩
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ تَسَحَّرْنَا مَعَ النَّبِيِّ ﷺ ثُمَّ قُمْنَا إِلَى الصَّلاَةِ . قَالَ قُلْتُ كَمْ كَانَ قَدْرُ ذَلِكَ قَالَ قَدْرُ خَمْسِينَ آيَةً.
যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সাহ্রী খাওয়া শেষ করেই আমরা নামাজ আদায় করতে দাঁড়ালাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, কি পরিমাণ ব্যবধান ছিল এ দুটির মাঝে তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াতের সমপরিমাণ (তিলাওয়াতের সময়)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) জানান, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সাহরি খেয়েছেন এবং এরপর নামাজের জন্য দাঁড়িয়েছেন। সাহরি শেষ ও নামাজ শুরু হওয়ার মাঝের সময় জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করতে যত সময় লাগে, ততটুকু ব্যবধান ছিল। এতে সাহরি শেষ সময়ের কাছাকাছি খাওয়ার একটি বাস্তব ছবি পাওয়া যায়। তবে হাদিসটি মিনিটের নির্দিষ্ট হিসাব দেয়নি; বরং তিলাওয়াতের সময় দিয়ে একটি আনুমানিক ব্যবধান বোঝানো হয়েছে। তাই এখান থেকে মূল শিক্ষা হলো সাহরি এমনভাবে শেষ করা, যাতে ফজরের নামাজের প্রস্তুতি নেওয়া যায় এবং নামাজ সময়মতো আদায় হয়। বর্ণনার সীমার বাইরে নির্দিষ্ট মিনিট স্থির করা এই পাঠে নেই। এই পরিমিত ব্যবধান সাহরি ও সালাত—দুই আমলই সুন্দরভাবে রক্ষা করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরি ফজরের কাছাকাছি সময়ে শেষ করা হয়েছিল।
- সাহরি ও নামাজের মাঝে পঞ্চাশ আয়াত পাঠের সমান ব্যবধান ছিল।
- হাদিসটি নির্দিষ্ট মিনিট নয়, একটি আনুমানিক সময়ের মাপ দিয়েছে।
- সাহরির পর ফজরের নামাজের প্রস্তুতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
