৬/১৩. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০২ - ইফতার ও নামাজ দ্রুত করা

বিলম্ব না করে ইফতার করা

দ্রুত ইফতার ও নামাজ: রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুসৃত পদ্ধতি

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭০২

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي عَطِيَّةَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَمَسْرُوقٌ، عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْنَا يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ رَجُلاَنِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ أَحَدُهُمَا يُعَجِّلُ الإِفْطَارَ وَيُعَجِّلُ الصَّلاَةَ وَالآخَرُ يُؤَخِّرُ الإِفْطَارَ وَيُؤَخِّرُ الصَّلاَةَ . قَالَتْ أَيُّهُمَا يُعَجِّلُ الإِفْطَارَ وَيُعَجِّلُ الصَّلاَةَ قُلْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ. قَالَتْ هَكَذَا صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ. وَالآخَرُ أَبُو مُوسَى.قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَأَبُو عَطِيَّةَ اسْمُهُ مَالِكُ بْنُ أَبِي عَامِرٍ الْهَمْدَانِيُّ وَيُقَالُ مَالِكُ بْنُ عَامِرٍ الْهَمْدَانِيُّ وَابْنُ عَامِرٍ أَصَحُّ .

আবূ 'আত্বিয়্যাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি ও মাস্‌রূক আইশা (রাঃ)-এর নিকটে গিয়ে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দুজন সাহাবীর মধ্যে একজন ইফ্‌তার করেন এবং নামাজ আদায় করেন বিলম্ব না করে আর অন্যজন ইফ্‌তার করেন এবং নামাজ আদায় করেন বিলম্ব করে। তিনি বললেন, তাঁদের মধ্যে কে অবিলম্বে ইফ্‌তার করেন এবং নামাজ আদায় করেন? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)। তিনি বললেন, এভাবেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) করেছেন। অপর সাহাবী ছিলেন আবূ মূসা (রাঃ)।

এই হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্‌ বলেছেন। আবূ আতিয়্যার নাম মালিক, পিতা আবূ আমির হামদানী, মতান্তরে ইবনু আমির এবং এটিই অধিকতর সহীহ্‌।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭০২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে দুই সাহাবীর ভিন্ন আমলের কথা আয়িশা (রাঃ)-এর সামনে তুলে ধরা হয়। একজন ইফতার ও নামাজ বিলম্ব না করে করতেন, আর অন্যজন কিছুটা দেরি করতেন। আয়িশা (রাঃ) জানতে চান, কে দ্রুত ইফতার ও নামাজ আদায় করেন। যখন বলা হয় তিনি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ), তখন তিনি জানান, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এভাবেই করতেন। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো সময় হলে ইফতার অযথা দেরি না করা এবং নামাজও যথাসময়ে আদায় করা। এখানে কোনো ব্যক্তিকে হেয় করা হয়নি; বরং নবীজির বাস্তব আমল কোনটি ছিল, তা স্পষ্ট করা হয়েছে। তাই দ্রুত ইফতার বিষয়ে এই বর্ণনা সরাসরি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পদ্ধতির সাক্ষ্য বহন করে। এভাবে আমল নির্ধারণে প্রত্যক্ষ সাহাবি সাক্ষ্যের মূল্যও স্পষ্ট হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সময় হলে ইফতার অযথা বিলম্ব না করা নবীজির আমলের সঙ্গে মিল রয়েছে।
  • নামাজ যথাসময়ে আদায় করাও বর্ণনাটির গুরুত্বপূর্ণ দিক।
  • মতভেদ হলে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল জানার চেষ্টা করা উচিত।
  • কাউকে দোষারোপ নয়, সঠিক পদ্ধতি চিহ্নিত করাই এখানে মূল বিষয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন