৬/৫৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৬৬ - রোজাদারের দুটি আনন্দ
রোজা পালনের ফজিলত
রোজাদারের দুটি আনন্দ: ইফতার ও রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭৬৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৬৬
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ فَرْحَةٌ حِينَ يُفْطِرُ وَفَرْحَةٌ حِينَ يَلْقَى رَبَّهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রোজা পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ আছে- একটি আনন্দ যখন সে ইফ্তার করে এবং আরেকটি আনন্দ যখন সে তার প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎ করবে।
আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজাদারের দুটি আনন্দ। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, রোজা পালনকারীর জন্য দুইটি আনন্দ রয়েছে। প্রথম আনন্দটি আসে ইফতারের সময়। সারাদিন খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকার পর নির্ধারিত সময়ে রোজা শেষ করে ইফতার করা রোজাদারের জন্য স্বাভাবিক আনন্দের মুহূর্ত। দ্বিতীয় আনন্দটি হবে যখন সে তার প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। হাদিসে এই দুই আনন্দকে পাশাপাশি রাখা হয়েছে। একটি দুনিয়ার জীবনে রোজা সম্পন্ন করার পর পাওয়া আনন্দ, অন্যটি আখিরাতে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ের আনন্দ। এখানে সেই সাক্ষাতের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়নি; তাই হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে ততটুকুই গ্রহণ করা উচিত। রোজার কষ্ট সাময়িক হলেও এর সঙ্গে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ—দুই সময়ের আনন্দ জড়িত থাকার কথা এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতারের সময় রোজাদারের জন্য আনন্দের মুহূর্ত।
- রোজাদারের আরেক আনন্দ হবে প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।
- রোজার সাময়িক কষ্টের পর আনন্দ আসে।
- রোজা দুনিয়া ও আখিরাতের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত একটি ইবাদত।
