১/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১ - দ্বীন হচ্ছে উপদেশ ও কল্যাণ কামনা
উপদেশ গ্রহণের গুরুত্ব
দ্বীন হচ্ছে উপদেশ: কল্যাণ কামনার সহজ শিক্ষা
ঊপদেশ : ১
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১
عَنْ تَمِيْمِ الدَّارِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ الدِّيْنُ النَّصِيحَةُ ثَلَاثًا. قُلْنَا لِمَنْ؟ قَالَ لِلَّهِ وَلِكِتَابِهِ وَلِرَسُوْلِهِ وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِيْنَ وَعَامَّتِهِمْ.
তামীম আদ্ দারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী করীম (ﷺ) বলেন, ‘দ্বীন হচ্ছে উপদেশ’। অর্থাৎ যথাযথভাবে কল্যাণ কামনা করা। কথাটি নবী করীম (ﷺ) তিনবার বললেন। আমরা বললাম, কার জন্য? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য, মুসলিম নেতাদের জন্য এবং সাধারণ মুসলমানের জন্য
(মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬৬)।
ঊপদেশ হাদিস ১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো কল্যাণ কামনা। নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দ্বীন হচ্ছে উপদেশ। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন, যা বিষয়টির গুরুত্ব বোঝায়। সাহাবীরা জানতে চেয়েছেন, কার জন্য এই উপদেশ বা নসীহত? উত্তরে তিনি বলেছেন, আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য, মুসলিম নেতাদের জন্য এবং সাধারণ মুসলমানের জন্য। এখানে উপদেশ মানে শুধু কথা বলা নয়; বরং সত্য, ভালোবাসা ও কল্যাণের মন রাখা। আল্লাহর প্রতি সঠিক বিশ্বাস, কিতাবের মর্যাদা, রাসূলের আনুগত্য, নেতার ভালো চাওয়া এবং মুসলমানদের জন্য ভালো চাওয়া—এসবই দ্বীনের অংশ। তাই দ্বীন হচ্ছে উপদেশ হাদিসটি মুসলিম জীবনে আন্তরিকতার বড় শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের একটি বড় অংশ হলো সবার জন্য সত্যিকারের কল্যাণ কামনা করা।
- আল্লাহ, কিতাব ও রাসূলের প্রতি দায়িত্বশীল মন রাখা জরুরি।
- মুসলিম নেতা ও সাধারণ মুসলমানদের জন্য ভালো চাওয়া ঈমানি আচরণ।
- উপদেশ দিতে হলে আন্তরিকতা ও কল্যাণের মন থাকা দরকার।
