১০/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১২৮ - সুদ নেওয়া-দেওয়ার ভয়াবহতা
সুদ ও ঘুষ
সুদ নেওয়া ও দেওয়া: রিবা থেকে বাঁচার কঠোর সতর্কতা
ঊপদেশ : ১২৮
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১২৮
عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ آكِلَ الرِّبَا وَمُؤْكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وقَالَ هُمْ سَوَاءٌ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) সুদ গ্রহণকারী, প্রদানকারী ও সুদের দু’সাক্ষীর প্রতি অভিশাপ করেছেন। রাসূল (ﷺ) বলেন, অভিশাপে তারা সবাই সমান
(মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭; বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/২৬৮৩ ‘ক্রয়-বিক্রয়’ অধ্যায়, ‘সুদ’ অনুচ্ছেদ)।
ঊপদেশ হাদিস ১২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সুদ বা রিবা। রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুদ গ্রহণকারী, সুদ প্রদানকারী, সুদের লেখক এবং সুদের দুই সাক্ষীর প্রতি অভিশাপ করেছেন। এরপর বলেছেন, অভিশাপে তারা সবাই সমান। এখানে শুধু সুদ খাওয়ার কথাই নেই; বরং যারা লেনদেনটি চালাতে সাহায্য করে, লেখে বা সাক্ষী থাকে, তাদের কথাও এসেছে। তাই ইসলামে সুদ থেকে বাঁচা মানে শুধু নিজের লাভের সুদ না নেওয়া নয়, বরং সুদের কাজে অংশ না নেওয়ার সতর্কতাও আছে। তবে হাদিসে যে চারটি ভূমিকা এসেছে, ব্যাখ্যায় সেটিতেই থাকা দরকার। বর্তমান জীবনে এই শিক্ষা আর্থিক লেনদেনের সময় সতর্কতা, হালাল উপার্জন এবং সন্দেহজনক চুক্তি এড়িয়ে চলার কথা মনে করায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুদ গ্রহণ ও প্রদান—দুটিই গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- সুদের লেখক ও সাক্ষীর ভূমিকাও হাদিসে উল্লেখ হয়েছে।
- আর্থিক চুক্তিতে হালাল-হারামের দিক দেখা জরুরি।
- সুদের কাজে সহায়তা করা থেকেও সতর্ক থাকা দরকার।
