১০/১. অধ্যায়ঃ
عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ آكِلَ الرِّبَا وَمُؤْكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وقَالَ هُمْ سَوَاءٌ.
রাসূল (ﷺ) সুদ গ্রহণকারী, প্রদানকারী ও সুদের দু’সাক্ষীর প্রতি অভিশাপ করেছেন। রাসূল (ﷺ) বলেন, অভিশাপে তারা সবাই সমান
(মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭; বাংলা ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা/২৬৮৩ ‘ক্রয়-বিক্রয়’ অধ্যায়, ‘সুদ’ অনুচ্ছেদ)।
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ حَنْظَلَةَ غَسِيْلِ الْمَلاَئِكَةِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ دِرْهَمُ رِبَا يَأْكُلُهُ الرَّجُلُ وَهُوَيَعْلَمُ أَشَدُّ مِنْ سِتَّةِ وَثَلاَثِيْنَ زِنْيَةً.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি জেনে শুনে এক দিরহাম বা একটি মুদ্রা সুদ গ্রহণ করলে ছত্রিশবার যেনা করার চেয়ে কঠিন হবে’
(আহমাদ, হাদীস সহীহ, মিশকাত হা/২৮২৫; বাংলা মিশকাত হা/২৭০১)।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الرِّبَا سَبْعُونَ حُوبًا أَيْسَرُهَا أَنْ يَنْكَحَ الرَّجُلُ أُمَّهُ.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘সুদের পাপের ৭০টি স্তর রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হচ্ছে মাতাকে বিবাহ করা’
(ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৮২৬, হাদীস সহীহ)।
عَنِ ابْنِ مَسْعُوْدٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِنَّ الرِّبَا وَإِنْ كَثُرَ فَإِنَّ عَاقِبَتَهُ تَصِيْرُ إِلَى قَلٍّ.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সুদ এমন বস্তু যার পরিণাম হচ্ছে সংকুচিত হওয়া যদিও তা বৃদ্ধি মনে হয়’
(ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৮২৭)।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الرَاشِيَ وَالْمُرْتَشِيْ.
রাসূল (ﷺ) ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারীর উপর অভিশাপ করেছেন
(ইবনু মাজাহ, সনদ সহীহ, মিশকাত, হা/৩৭৫৩ ‘নেতৃত্ব’ অধ্যায়)।
عَنْ أَبِيْ أُمَامَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ شَفَعَ لِأَخِيْهِ بِشَفَاعَةٍ فَأَهْدَى لَهُ هَدِيَّةً عَلَيْهَا فَقَبِلَهَا فَقَدْ أَتَى بَابًا عَظِيْمًا مِنْ أَبْوَابِ الرِّبَا.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কারো জন্য সুপারিশ করল এবং সেই সুপারিশের প্রতিদান স্বরূপ তাকে কিছু উপহার দিল। যদি সে তা গ্রহণ করে তাহলে সে সুদের দরজাসমূহের একটি বড় দরজায় উপস্থিত হল’
(আবূদাঊদ, সনদ হাসান, মিশকাত, হা/৩৭৫৭)।
عَنْ بُرَيْدَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ اسْتَعْمَلْنَاهُ عَلَى عَمَلٍ فَرَزَقْنَاهُ رِزْقًا فَمَا أَخَذَ بَعْدَ ذَلِكَ فَهُوَ غُلُوْلٌ.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘আমি যাকে ভাতা দিয়ে কোন কাজের দায়িত্ব প্রদান করেছি সে যদি ভাতা ব্যতীত অন্য কিছু গ্রহণ করে তাহলে তা হবে খেয়ানত’
(আবূদাঊদ, মিশকাত হা/৩৭৪৮)।
عَنْ خَوْلَةَ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِنَّ رِجَالاً يَتَخَوَّضُوْنَ فِيْ مَالِ اللهِ بِغَيْرِحَقٍّ فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই কিছু লোক আল্লাহর সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে। কিয়ামতের দিন তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম’
(বুখারী, মিশকাত হা/৩৭৪৬)।