১০/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৩৫ - অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ
সুদ ও ঘুষ
অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ: হারাম আয় থেকে বাঁচার শিক্ষা
ঊপদেশ : ১৩৫
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৩৫
عَنْ خَوْلَةَ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِنَّ رِجَالاً يَتَخَوَّضُوْنَ فِيْ مَالِ اللهِ بِغَيْرِحَقٍّ فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
খাওয়ালাহ আনছারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই কিছু লোক আল্লাহর সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে। কিয়ামতের দিন তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম’
(বুখারী, মিশকাত হা/৩৭৪৬)।
ঊপদেশ হাদিস ১৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অন্যায়ভাবে সম্পদ ভক্ষণ করার ভয়াবহতা এসেছে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কিছু লোক আল্লাহর সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে; কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম রয়েছে। এখানে “আল্লাহর সম্পদ” এবং “অন্যায়ভাবে ভক্ষণ”—এই দুইটি কথা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি ব্যক্তিগত লোভ, দায়িত্বের অপব্যবহার, আমানতের খিয়ানাত বা জনসম্পদ নষ্ট করার বিষয়ে সতর্কতা হিসেবে বোঝা যায়। তবে হাদিসে যেটুকু বলা হয়েছে, তার বাইরে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর রায় দেওয়া ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, যে সম্পদ নিজের অধিকার নয়, তা গ্রহণ করা বা ব্যবহার করা ভয়ংকর পরিণামের কারণ হতে পারে। মুসলিমের জন্য হালাল আয়, আমানত রক্ষা এবং অন্যের অধিকার থেকে দূরে থাকা বড় দায়িত্ব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যায়ভাবে সম্পদ নেওয়া আখিরাতের জন্য বিপজ্জনক।
- আমানত ও জনসম্পদের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকা দরকার।
- নিজের অধিকার নয় এমন সম্পদ থেকে দূরে থাকতে হবে।
- হারাম আয় সাময়িক লাভ মনে হলেও পরিণাম কঠিন হতে পারে।
