১০/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৩২ - ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার সতর্কতা
সুদ ও ঘুষ
ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া: ন্যায়বিচার নষ্ট করার বড় সতর্কতা
ঊপদেশ : ১৩২
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৩২
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الرَاشِيَ وَالْمُرْتَشِيْ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারীর উপর অভিশাপ করেছেন
(ইবনু মাজাহ, সনদ সহীহ, মিশকাত, হা/৩৭৫৩ ‘নেতৃত্ব’ অধ্যায়)।
ঊপদেশ হাদিস ১৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ঘুষ। রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারীর উপর অভিশাপ করেছেন। বর্ণনাটি ছোট হলেও শিক্ষা খুব স্পষ্ট। ঘুষ শুধু টাকা নেওয়ার বিষয় নয়; এটি সাধারণত কোনো কাজকে অন্যায় পথে এগিয়ে নেওয়া, কারও অধিকার নষ্ট করা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে প্রভাবিত করার সঙ্গে জড়িত। তবে এই হাদিসে বিশেষভাবে দুই পক্ষের কথা এসেছে—যে দেয় এবং যে নেয়। তাই ব্যাখ্যায় এই সীমাই ধরে রাখা ভালো। বাস্তব জীবনে চাকরি, অফিস, বিচার, সেবা বা অনুমতির কাজে ঘুষের চাপ দেখা যেতে পারে। একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ঘুষ থেকে বাঁচা, ন্যায় পথে কাজ করা এবং হারাম উপার্জনকে হালকা মনে না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া—দুই পক্ষই হাদিসে কঠোর সতর্কতার মধ্যে এসেছে।
- অন্যায় সুবিধার জন্য অর্থ দেওয়া থেকে দূরে থাকা দরকার।
- দায়িত্বশীল পদে থাকলে অবৈধ সুবিধা নেওয়া আরও বিপজ্জনক।
- সততা ও ন্যায়ের পথে কাজ করা মুমিনের দায়িত্ব।
