১২/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৬৩ - দ্বীনে নতুন কাজের সতর্কতা
বিদ‘আত
বিদআত থেকে বাঁচার হাদিস: দ্বীনে নতুন কিছু যোগ করার সতর্কতা
ঊপদেশ : ১৬৩
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৬৩
عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ أَحْدَثَ فِى أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছুর উদ্ভব ঘটাল, যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত’
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০)।
ঊপদেশ হাদিস ১৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন, যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুনভাবে চালু করে, যা দ্বীনের অংশ নয়, তা প্রত্যাখ্যাত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইবাদতের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দ, আবেগ বা প্রচলনকে দলিল বানানো যাবে না। ইসলাম আল্লাহর দেওয়া দ্বীন, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তাই যে কাজকে ইবাদত বলা হবে, সেটির ভিত্তি কুরআন ও সুন্নাহতে থাকতে হবে। এই হাদিস মানুষকে বাড়াবাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনে। দ্বীনের নামে নতুন আমল তৈরি করা দেখতে ভালো লাগলেও, হাদিসের ভাষায় তা গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আমলের আগে জানা দরকার—এটি রাসূলের শেখানো পথে আছে কি না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের অংশ নয় এমন নতুন কাজ ইবাদত হিসেবে চালু করা গ্রহণযোগ্য নয়।
- ইবাদতের মানদণ্ড ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, কুরআন ও সুন্নাহ।
- সুন্নাহ অনুসরণ করলে দ্বীনের সঠিক পথ পরিষ্কার থাকে।
- ভালো মনে হলেই কোনো কাজ দ্বীনের আমল হয়ে যায় না।
