১৬/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ২২৬ - দুই কন্যা লালন-পালনের ফজিলত
সৃষ্টির প্রতি দয়া
দুই কন্যার লালন-পালন: নবীর নৈকট্য লাভের আশাব্যঞ্জক হাদিস
ঊপদেশ : ২২৬
ঊপদেশহাদিস নম্বর ২২৬
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ عَالَ جَارِيَتَيْنِ حَتَّى تَبْلُغَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَا وَهُوَ هَكَذَا وَضَمَّ أَصَابِعَهُ-
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দুটি কন্যার লালন-পালন করবে তাদের পূর্ণ বয়স্কা হওয়া পর্যন্ত, কেয়ামতের দিন সে আমার সাথে এভাবে আসবে। এ বলে তিনি নিজের আঙ্গুলসমূহ একত্রিত করে দেখালেন’
(মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৫০)।
ঊপদেশ হাদিস ২২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় দুই কন্যার লালন-পালন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই কন্যাকে পূর্ণ বয়স্কা হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে, কিয়ামতের দিন সে তাঁর সঙ্গে এভাবে আসবে। এরপর তিনি নিজের আঙ্গুল একত্র করে দেখিয়েছেন। হাদিসটি কন্যা সন্তানের মর্যাদা ও তাদের দায়িত্বশীলভাবে বড় করার গুরুত্ব তুলে ধরে। এখানে প্রধান কীওয়ার্ড হলো দুই কন্যা লালন-পালনের হাদিস। সম্পর্কিত কীওয়ার্ড: কন্যা সন্তানের ফজিলত, মেয়েদের লালন-পালন, কন্যার মর্যাদা, ইসলামে সন্তান প্রতিপালন। হাদিসের শিক্ষা হলো, কন্যাদের যত্ন, নিরাপত্তা, খাবার, শিক্ষা ও বড় হওয়া পর্যন্ত অভিভাবকত্ব একটি মূল্যবান দায়িত্ব। তবে ব্যাখ্যায় আমরা শুধু হাদিসে থাকা কথাটুকুই ধরে বলি—এই কাজ কিয়ামতের দিনে রাসূলের নৈকট্যের কারণ হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই কন্যাকে বড় হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে লালন-পালন করা প্রশংসনীয়।
- কন্যা সন্তানকে অবহেলা নয়, যত্ন ও ভালো আচরণ দেওয়া দরকার।
- কন্যাদের দায়িত্ব পালন কিয়ামতের দিনে নবীর নৈকট্যের কারণ হতে পারে।
