১৬/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ২২৭ - বিধবা ও মিসকীনকে সাহায্য
সৃষ্টির প্রতি দয়া
বিধবা ও মিসকীনকে সাহায্য: অসহায়ের পাশে দাঁড়ানোর বড় ফজিলত
ঊপদেশ : ২২৭
ঊপদেশহাদিস নম্বর ২২৭
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ السَّاعِيْ عَلَى الْأَرْمَلَةِ وَالْمِسْكِيْنِ كَالْمُجَاهِدِ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَأَحْسِبُهُ قَالَ يَشُكُّ الْقَعْنَبِيُّ كَالْقَائِمِ لَا يَفْتُرُ وَكَالصَّائِمِ لَا يُفْطِرُ-
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘বিধবা ও মিসকীনদের সহযোগী আল্লাহর পথে জিহাদকারীর ন্যায় এবং তাহাজ্জুদগুযার ব্যক্তির ন্যায়, যে অলস হয় না এবং এমন সিয়াম পালনকারীর ন্যায়, যে ইফতার করে না’
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৫১)।
ঊপদেশ হাদিস ২২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় বিধবা ও মিসকীনকে সাহায্য করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিধবা ও মিসকীনের সহযোগী আল্লাহর পথে জিহাদকারীর ন্যায়, এমন তাহাজ্জুদগুজার ব্যক্তির ন্যায় যে অলস হয় না, এবং এমন সিয়াম পালনকারীর ন্যায় যে ইফতার করে না। এই বর্ণনা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মর্যাদা বুঝিয়ে দেয়। এখানে প্রধান কীওয়ার্ড হলো বিধবা ও মিসকীনকে সাহায্য। সম্পর্কিত কীওয়ার্ড: অসহায়কে সাহায্য, দান-সদকা, বিধবার ভরণ-পোষণ, মিসকীনের হক, মানবসেবা হাদিস। হাদিসের আলোকে বোঝা যায়, সামাজিক দায়িত্ব শুধু কথায় নয়; বাস্তবে সাহায্য, খোঁজখবর ও ভরণ-পোষণের চেষ্টায় প্রকাশ পায়। তবে সাহায্য যেন সম্মান রেখে করা হয়, কারণ হাদিসটি সহযোগিতার মর্যাদা বলেছে, কাউকে ছোট করার অনুমতি দেয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিধবা ও মিসকীনের সহযোগিতা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ।
- অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইবাদতের মতো বড় নেকির কারণ হতে পারে।
- সহযোগিতা করতে গিয়ে মানুষের সম্মান রক্ষা করা জরুরি।
