১৬/১. অধ্যায়ঃ

ঊপদেশ হাদিস ২২৮ - ইয়াতীম পালনকারীর মর্যাদা

সৃষ্টির প্রতি দয়া

ইয়াতীম পালনকারীর মর্যাদা: জান্নাতে নবীর নৈকট্যের হাদিস

ঊপদেশহাদিস নম্বর ২২৮

عَنْ سَهْلٍ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ وَأَنَا وَكَافِلُ الْيَتِيْمِ فِي الْجَنَّةِ هَكَذَا وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ وَالْوُسْطَى وَفَرَّجَ بَيْنَهُمَا شَيْئًا.

সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘আমি ও ইয়াতীম পালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকব। তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলের মধ্যে সামান্য ফাঁকা রেখে ইশারা করে দেখালেন’

(বুখারী, মিশকাত হা/৪৯৫২ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায়)।

ঊপদেশ হাদিস ২২৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় ইয়াতীম পালন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনি ও ইয়াতীম পালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকবেন। তারপর তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুলের মাঝে সামান্য ফাঁক রেখে ইশারা করেছেন। হাদিসটি ইয়াতীম শিশুর প্রতি দায়িত্ব, দয়া ও যত্নের বড় মর্যাদা বুঝায়। এখানে প্রধান কীওয়ার্ড হলো ইয়াতীম পালনকারীর মর্যাদা। সম্পর্কিত কীওয়ার্ড: ইয়াতীমের হক, এতিমের যত্ন, ইয়াতীমকে সাহায্য, জান্নাতে নবীর সান্নিধ্য, অসহায় শিশুর লালন-পালন। হাদিসটি আমাদের মনে করায়, যে শিশুর সহায় দরকার, তাকে আশ্রয় ও যত্ন দেওয়া শুধু সামাজিক কাজ নয়; এটি বড় নেকির দরজা। তবে ইয়াতীমের সম্পদ বা অধিকার নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা এই হাদিসে নেই, তাই এখানে মূল শিক্ষা শুধু পালন ও যত্নের মর্যাদায় সীমিত রাখা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইয়াতীম শিশুর দায়িত্ব নেওয়া জান্নাতে নবীর নৈকট্যের কারণ হতে পারে।
  • অসহায় শিশুর প্রতি দয়া, যত্ন ও নিরাপত্তা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
  • ইয়াতীম পালন শুধু দান নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব ও মমতার কাজ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন