৩/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৩০ - অন্যায় সম্পদ দখলের ভয়াবহতা
আত্মসাৎ
অন্যায় সম্পদ দখল: আল্লাহর মালে অন্যায় ব্যবহার থেকে বাঁচুন
ঊপদেশ : ৩০
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৩০
عَنْ خَوْلَةَ الأَنْصَارِيَّةِ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُوْلُ إِنَّ رِجَالاً يَتَخَوَّضُوْنَ فِيْ مَالِ اللهِ بِغَيْرِ حَقٍّ فَلَهُمْ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
খাওলা আনছারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, ‘নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল করবে। কেয়ামতের দিন তার জন্য জাহান্নাম রয়েছে’
(বুখারী, মিশকাত হা/৩৯৯৫; বাংলা মিশকাত ৮ম খণ্ড, হা/৩৮১৯ ‘জিহাদ’ অধ্যায়)।
ঊপদেশ হাদিস ৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল করার পরিণাম খুব স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যারা আল্লাহর সম্পদে অন্যায়ভাবে তসরূপ করে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম রয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো, সম্পদকে নিজের ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যাবে না, যদি সেটি নিজের হক না হয়। অন্যায় সম্পদ দখল শুধু চুরি বা প্রকাশ্য ছিনিয়ে নেওয়ার মধ্যে সীমিত নয়; দায়িত্বের মাল, গনীমতের মাল বা মানুষের হক—সব ক্ষেত্রেই সতর্কতা দরকার। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সম্পদের ব্যাপারে আল্লাহর ভয় রাখা দরকার। যা ন্যায্য নয়, তা থেকে দূরে থাকা নিরাপদ পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল করা আখিরাতের বড় ক্ষতির কারণ।
- আল্লাহর মাল বা দায়িত্বের মাল নিজের ইচ্ছায় ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- সম্পদের ব্যাপারে হক-না-হক বিচার করা জরুরি।
- কিয়ামতের জবাবদিহি মনে রাখলে আত্মসাৎ থেকে বাঁচা সহজ হয়।
