৩/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৩২ - হালাল-হারাম উপার্জনে সতর্কতা
আত্মসাৎ
হালাল-হারাম উপার্জন: আয়ের উৎস নিয়ে উদাসীন হবেন না
ঊপদেশ : ৩২
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৩২
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَأْتِيْ عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ لاَ يُبَالِي الْمَرْءُ مَا أَخَذَ مِنْهُ أَمِنَ الْحَلاَلِ أَمْ مِنْ الْحَرَامِ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের উপর এমন একটি সময় আসবে, যখন মানুষ হালাল-হারাম উপার্জনে বিবেচনা করবে না’
(বুখারী, মিশকাত হা/২৭৬১)।
ঊপদেশ হাদিস ৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভবিষ্যৎ সময়ের একটি বড় বিপদের কথা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মানুষের উপর এমন সময় আসবে, যখন মানুষ হালাল-হারাম উপার্জন বিবেচনা করবে না। অর্থাৎ টাকা আসছে কি না—এটাই যদি প্রধান চিন্তা হয়ে যায়, তাহলে মানুষ উৎস ভুলে যেতে পারে। হালাল হারাম উপার্জন বিষয়টি তাই শুধু ফিকহের আলোচনা নয়; এটি ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিদিনের পরীক্ষা। ব্যবসা, চাকরি, লেনদেন, কমিশন, বেতন—সব ক্ষেত্রেই মুসলিমের দেখা দরকার, এই আয় বৈধ পথে হচ্ছে কি না। হাদিসটি আমাদের আগে থেকেই সতর্ক করে, যাতে সমাজের ভুল পথে ভেসে না যাই এবং নিজের রিজিকের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উপার্জনের উৎস হালাল কি না তা দেখা জরুরি।
- সমাজে উদাসীনতা বাড়লেও মুমিনকে সতর্ক থাকতে হবে।
- শুধু টাকা পাওয়া নয়, বৈধ পথে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
- হালাল-হারাম বিচার না করা বড় নৈতিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
