৪/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৩৬ - হালাল-হারাম আয়ের যুগসতর্কতা
হালাল ও হারাম
হালাল-হারাম আয়ের সতর্কতা: সম্পদ পেলেই যথেষ্ট নয়
ঊপদেশ : ৩৬
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৩৬
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ لَا يُبَالِي الْمَرْءُ مَا أَخَذَ مِنْهُ أَمِنَ الْحَلَالِ أَمْ مِنَ الْحَرَامِ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের সম্মুখে এমন এক যুগ আসবে যে, কেউ পরোয়া করবে না কি উপায়ে মাল লাভ করল; হারাম না হালাল উপায়ে’
(বুখারী, মিশকাত হা/২৭৬১)।
ঊপদেশ হাদিস ৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন এক সময়ের কথা বলেছেন, যখন মানুষ পরোয়া করবে না—সে কী উপায়ে মাল পেল, হারাম পথে নাকি হালাল পথে। এর মানে হলো, আয়ের পরিমাণকে মানুষ অনেক সময় আয়ের বৈধতার চেয়ে বড় করে দেখে। কিন্তু মুমিনের জন্য শুধু সম্পদ পাওয়া লক্ষ্য নয়। হালাল হারাম আয় যাচাই করা ঈমানি দায়িত্বের অংশ। ব্যবসায় প্রতারণা, অন্যের হক, অবৈধ চুক্তি, সন্দেহজনক লেনদেন—এসব বিষয় থেকে সতর্ক থাকা দরকার। হাদিসটি আমাদের সমাজের চাপের মাঝেও আল্লাহর ভয় ধরে রাখতে শেখায়। টাকা আসছে কি না—এ প্রশ্নের সঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন দরকার: এই টাকা হালালভাবে আসছে কি না?
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সম্পদ পাওয়ার উপায় বৈধ কি না তা যাচাই করতে হবে।
- সময়ের খারাপ প্রবণতার সঙ্গে ভেসে যাওয়া উচিত নয়।
- হালাল আয় মুমিনের নৈতিক পরিচয়ের অংশ।
- হারাম আয়ের ব্যাপারে উদাসীনতা বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
