৪/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৩৮ - ঘৃণিত উপার্জন থেকে সতর্কতা
হালাল ও হারাম
ঘৃণিত উপার্জন: কুকুর বিক্রয় ও অনৈতিক আয়ের সতর্কতা
ঊপদেশ : ৩৮
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৩৮
وَعَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيْجٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ ثَمَنُ الْكَلْبِ خَبِيْثٌ وَمَهْرُ الْبَغِيِّ خَبِيْثٌ وَكَسْبُ الْحَجَّامِ خَبِيْثٌ.
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘কুকুর বিক্রয়ের মূল্য ঘৃণিত বস্তু, ব্যভিচারের বিনিময়ও অতি জঘন্য, সিঙ্গা লাগানোর মূল্যও ঘৃণিত’
(মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬৩)।
ঊপদেশ হাদিস ৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কয়েক ধরনের উপার্জনকে ঘৃণিত বলা হয়েছে। কুকুর বিক্রয়ের মূল্য, ব্যভিচারের বিনিময় এবং সিঙ্গা লাগানোর মূল্য—এই তিনটি বিষয় হাদিসে এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, উপার্জনের সব পথ সমান নয়। টাকা পাওয়া গেলেই তা ভালো উপার্জন হয়ে যায় না। ঘৃণিত উপার্জন হাদিস আমাদের আয়ের উৎস নিয়ে সতর্ক করে। বিশেষ করে ব্যভিচারের বিনিময়ের মতো অনৈতিক আয়ের কথা স্পষ্টভাবে এসেছে। কুকুর বিক্রয়ের মূল্য ও সিঙ্গা লাগানোর মূল্য সম্পর্কেও হাদিসে সতর্ক ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে। তাই মুসলিমের জন্য উপার্জনের ক্ষেত্রে শুধু লাভ নয়, শরিয়তের দৃষ্টিতে তা পরিষ্কার কি না—এটাও দেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সব ধরনের আয় গ্রহণযোগ্য নয়।
- অনৈতিক কাজের বিনিময় ঘৃণিত উপার্জনের মধ্যে পড়ে।
- উপার্জনের উৎস নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- লাভের আগে হালাল-হারাম বিচার করা জরুরি।
