৪/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৩৯ - নিষিদ্ধ আয়ের তিনটি পথ
হালাল ও হারাম
নিষিদ্ধ আয় থেকে বাঁচুন: কুকুরের মূল্য, যিনা ও গণকের উপার্জন
ঊপদেশ : ৩৯
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৩৯
عَنْ أَبِيْ مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَمَهْرِ الْبَغِيِّ وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ.
আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) ‘কুকুরের মূল্য, যিনাকারিণীর উপার্জন ও গণকের উপার্জন খেতে নিষেধ করেছেন’
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬৪)।
ঊপদেশ হাদিস ৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তিনটি উপার্জন খেতে নিষেধ করা হয়েছে: কুকুরের মূল্য, যিনাকারীনীর উপার্জন এবং গণকের উপার্জন। হাদিসটি খুব পরিষ্কারভাবে শেখায়, আয়ের উৎস ভালো না হলে সেই আয় গ্রহণ করা উচিত নয়। নিষিদ্ধ আয় শুধু ব্যক্তির পকেটে আসে না; তা খাবার, পরিবার ও জীবনের ওপরও প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে যিনা-ভিত্তিক উপার্জন ও গণকের উপার্জন মানুষের নৈতিকতা ও বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত। কুকুরের মূল্য সম্পর্কেও স্পষ্ট নিষেধ এসেছে। তাই মুসলিমের জন্য উপার্জনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। কোন কাজ থেকে আয় হচ্ছে, তা আল্লাহর নাফরমানির সঙ্গে যুক্ত কি না—এই প্রশ্ন নিজের কাছে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুরের মূল্য খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
- যিনাকারীনীর উপার্জন গ্রহণযোগ্য নয়।
- গণকের উপার্জন থেকে বাঁচতে বলা হয়েছে।
- রিজিক পবিত্র রাখতে আয়ের উৎস যাচাই করা দরকার।
