২/৬. অধ্যায়ঃ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ১১ - আযানের জবাব, দরূদ ও দোয়া
মুআযযিনের সাথে সাথে আযানের শব্দগুলি বলা এবং আযানের শেষে নবীর উপর দরূদ পাঠ করা
আযানের জবাব: দরূদ ও দোয়ার সহজ সুন্নাহ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ১১
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ১১
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী করীম (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তোমরাও তার সাথে অনুরূপ বলবে। তারপর আমার উপর দরূদ পাঠ করবে। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার উপর আল্লাহ্ দশটি রহমত বর্ষণ করেন।” (মুসলিম ৩৮৪) নবীর উপর দরূদ পাঠ করে এই দোয়াটি পড়বে, অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! এই পূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত নামাজের প্রভু, মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে সম্মান ও উচ্চতম মর্যাদা দান করো। তাঁকে মাক্কামি মাহমুদে (প্রশংসিত স্থানে) পৌঁছিয়ে দাও, যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাঁকে দিয়েছো।” (বুখারী) যে ব্যক্তি এই দোয়াটি পড়বে, তার জন্য নবীর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে।
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান শুনলে কী করতে হবে, তা শেখানো হয়েছে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন তোমরা মুআযযিনের আযান শুনবে, তখন তার মতো বলবে। এরপর তাঁর ওপর দরূদ পাঠ করবে। কারণ, যে ব্যক্তি নবী صلى الله عليه وسلم-এর ওপর একবার দরূদ পাঠ করে, তার ওপর আল্লাহ দশটি রহমত বর্ষণ করেন। এরপর আযানের পরের দোয়াও এসেছে, যেখানে আল্লাহর কাছে নবী মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم-এর জন্য সম্মান, উচ্চ মর্যাদা এবং মাকামে মাহমুদ চাওয়া হয়। হাদিসে আরও বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে, তার জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যাবে। আযানের জবাব, দরূদ শরীফ এবং আযানের পর দোয়া—এই তিনটি আমল এখানে খুব সুন্দরভাবে একসঙ্গে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান শুনে মুআযযিনের কথার মতো জবাব দেওয়া উচিত।
- আযানের পর নবী صلى الله عليه وسلم-এর ওপর দরূদ পাঠ করার শিক্ষা আছে।
- একবার দরূদ পাঠে আল্লাহর দশ রহমতের কথা হাদিসে এসেছে।
- আযানের পর নির্দিষ্ট দোয়া পড়ার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
