৬/২. অধ্যায়ঃ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৫৯ - সুন্দর সুরে কুরআন তেলাওয়াত
সুন্দর সুরে কুরআন পড়া
সুন্দর সুরে কুরআন তেলাওয়াতের ফজিলত
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ৫৯
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ৫৯
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন, “আল্লাহ্ নবী করীম (ﷺ) যেরূপ মধুর সুরে কোরআন তেলাওয়াত করার অনুমতি দিয়েছেন অন্য কোন জিনিসকে ঐরূপ পড়ার অনুমতি দেন নাই। তিনি উচ্চস্বরে সুন্দর সুরে তেলাওয়াত করতেন।”
(বুখারী ৭৫৪৪, মুসলিম ৭৯২)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআন তেলাওয়াতের সৌন্দর্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ নবী করীমকে যেরূপ মধুর সুরে কুরআন তেলাওয়াত করার অনুমতি দিয়েছেন, অন্য কোনো জিনিসকে ঐরূপ পড়ার অনুমতি দেননি। বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি উচ্চস্বরে সুন্দর সুরে তেলাওয়াত করতেন। এখানে মূল বিষয় হলো কুরআন তেলাওয়াতে সুন্দর সুর, মনোযোগ এবং আল্লাহর বাণীর মর্যাদা। তবে সুন্দর সুর মানে শুধু কণ্ঠের সৌন্দর্য নয়; কুরআনের প্রতি সম্মানও জরুরি। হাদিসে যেমন বলা হয়েছে, নবীজির তেলাওয়াত ছিল মধুর ও উচ্চস্বরে। তাই কুরআন পড়ার সময় পরিষ্কার, সুন্দর ও শ্রদ্ধাপূর্ণ তেলাওয়াতের চেষ্টা করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন সুন্দর সুরে তেলাওয়াত করা প্রশংসনীয় আমল।
- নবীজি উচ্চস্বরে সুন্দর সুরে কুরআন তেলাওয়াত করতেন।
- কুরআন পাঠে শ্রদ্ধা, মনোযোগ ও সুন্দর উচ্চারণ থাকা উচিত।
- আল্লাহর বাণী পড়ার সময় তা সাধারণ কথার মতো নেওয়া উচিত নয়।
