৪/১৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮০৪ - আমীন ও গুনাহ মাফ
তাসমী’, তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে
আমীন বলার সময় ফেরেশতাদের সাথে মিলের ফজিলত
সহীহ মুসলিম : ৮০৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৮০৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا قَالَ أَحَدُكُمْ آمِينَ . وَالْمَلاَئِكَةُ فِي السَّمَاءِ آمِينَ . فَوَافَقَتْ إِحْدَاهُمَا الأُخْرَى غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ‘আ-মীন’ বলে এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলে। উভয়ের ‘আ-মীন’ যদি একই সাথে মিলে যায়, তবে আল্লাহ তার আগের গুনাহ মাফ করে দেবেন।
ই.ফা. ৮০১, ই.সে. ৮১৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, তোমাদের কেউ যখন আমীন বলে এবং আকাশের ফেরেশতারাও আমীন বলে, আর উভয়ের আমীন যদি একই সাথে মিলে যায়, তবে আল্লাহ তার আগের গুনাহ মাফ করে দেবেন। এটি আমীন বলার ফজিলত সম্পর্কে খুব স্পষ্ট বর্ণনা। হাদিসে সালাতের ভেতরের একটি ছোট আমলের বড় মর্যাদা দেখা যায়। তবে শিক্ষা নেওয়ার সময় অতিরঞ্জন না করে হাদিসের ভাষাতেই থাকা উচিত—আমীনের মিল হলে আগের গুনাহ মাফের কথা এসেছে। তাই সালাতে আমীন বলা অবহেলার বিষয় নয়; বরং তা মনোযোগ, অনুসরণ এবং দোয়ার আশা নিয়ে বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আমীন বলা সালাতের একটি ফজিলতপূর্ণ আমল।
- ফেরেশতাদের আমীনের সাথে মিল হলে আগের গুনাহ মাফের কথা এসেছে।
- ছোট আমলও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে।
- আমীন বলার সময় মনোযোগ রাখা উচিত।
