২/২২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৮৯ - রাসূলের একমাত্র মুয়াজ্জিন বিলাল
জুমুয়ার সালাতের আজান
জুমুয়ার আজান ও বিলাল (রাঃ)-এর মুয়াজ্জিন পরিচয়
সুনানে আবূ দাউদ : ১০৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০৮৯
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ، قَالَ لَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ إِلاَّ مُؤَذِّنٌ وَاحِدٌ بِلاَلٌ ثُمَّ ذَكَرَ مَعْنَاهُ .
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাত্র একজন মুয়াজ্জিন ছিলেন। তিনি হলেন বিলাল (রাঃ)। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মাত্র একজন মুয়াজ্জিন ছিলেন, তিনি হলেন বিলাল (রাঃ)। এরপর বর্ণনাকারী আগের হাদিসের মতো জুমুয়ার আজানের কথা উল্লেখ করেন। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা বিলাল (রাঃ)-এর আজানের সাথে সম্পর্কিত মর্যাদাপূর্ণ পরিচয় তুলে ধরে। একই সঙ্গে জুমুয়ার আজানের ধারাটিও এখানে যুক্ত হয়েছে। হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সময় মসজিদের ঘোষণা ও আজানের দায়িত্ব একটি পরিচিত ও নিয়মিত ব্যবস্থার মধ্যে ছিল। জুমার আজান, খুতবা এবং ইমামের মিম্বরে বসা—এসব বিষয়ে সাহাবীরা যে খুঁটিনাটি সংরক্ষণ করেছেন, তা দ্বীনি আমল বোঝার জন্য খুব সহায়ক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মুয়াজ্জিন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- জুমুয়ার আজান নির্দিষ্ট ব্যবস্থার সাথে দেওয়া হতো।
- সাহাবীরা আজান ও খুতবার পদ্ধতি যত্নের সঙ্গে বর্ণনা করেছেন।
- মসজিদের কাজে দায়িত্বশীলতা ও নিয়ম থাকা দরকার।
