২/২২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৯০ - নবী যুগের মুয়াজ্জিনের বর্ণনা
জুমুয়ার সালাতের আজান
নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর মুয়াজ্জিন ও জুমুয়ার আজানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১০৯০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০৯০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ ابْنَ أُخْتِ، نَمِرٍ أَخْبَرَهُ قَالَ وَلَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ غَيْرُ مُؤَذِّنٍ وَاحِدٍ . وَسَاقَ هَذَا الْحَدِيثَ وَلَيْسَ بِتَمَامِهِ .
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একমাত্র মুয়াজ্জিন (বিলাল) ব্যতীত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অন্য কোন মুয়াজ্জিন ছিল না। অতঃপর বর্ণনাকারী উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেন, তবে পুরো অংশ নয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবারও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একমাত্র মুয়াজ্জিন ছিলেন। বর্ণনাকারী পূর্বের হাদিসের মতো বিষয়টি বলেন, তবে পুরো অংশ উল্লেখ করেননি। তাই এই বর্ণনা জুমুয়ার আজান ও মুয়াজ্জিন প্রসঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত সমর্থন হিসেবে ধরা যায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, একই বিষয়ে বিভিন্ন সূত্রে কখনও বিস্তারিত, কখনও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আসে। পাঠকের জন্য দরকার হলো, পুরো বিষয় বুঝতে কাছাকাছি বর্ণনাগুলো একসাথে দেখা। তবে এই হাদিসের নিজস্ব বক্তব্য হলো নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সময় মুয়াজ্জিনের সংখ্যা এবং জুমুয়ার আজানের ধারার সাথে তার সম্পর্ক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয় কখনও সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হতে পারে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগের মুয়াজ্জিন সম্পর্কে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।
- জুমার আজানের আলোচনা বুঝতে কাছাকাছি বর্ণনাগুলো দেখা দরকার।
- হাদিস পড়ার সময় পূর্ণ ও সংক্ষিপ্ত সূত্র আলাদা করে বোঝা ভালো।
