৫/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩২৮ - রাতের সালাতে সশব্দ ও নিঃশব্দ কিরাআত
রাতের সালাতে উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ
রাতের সালাতে কিরাআত: কখনো সশব্দ, কখনো নিচু স্বর
সুনানে আবূ দাউদ : ১৩২৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩২৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الرَّيَّانِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ زَائِدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْوَالِبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ : كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ ﷺ بِاللَّيْلِ يَرْفَعُ طَوْرًا وَيَخْفِضُ طَوْرًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : أَبُو خَالِدٍ الْوَالِبِيُّ اسْمُهُ هُرْمُزُ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রাতের সালাতে ক্বিরাআত কখনো সশব্দে আবার কখনো নিঃশব্দে পড়তেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাতের সালাতে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কিরাআতের ধরন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) রাতের কিরাআতে কখনো আওয়াজ উঁচু করতেন, আবার কখনো নিচু করতেন। এতে বোঝা যায়, রাতের নফল সালাতে কিরাআতের আওয়াজ এক ধরনের সীমায় বাঁধা নয়। পরিস্থিতি, মনোযোগ এবং আশেপাশের অবস্থা অনুযায়ী কখনো সশব্দে, কখনো নিঃশব্দে পড়া হয়েছে। তবে এই হাদিস অন্যকে কষ্ট দেওয়ার অনুমতি দেয় না; বরং শুধু নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের ভিন্নতা দেখায়। তাই ‘রাতের সালাতে কিরাআত’, ‘সশব্দে কুরআন পড়া’, ‘নিঃশব্দে কিরাআত’ এবং ‘তাহাজ্জুদে আওয়াজ’—এই বিষয়গুলোতে হাদিসটি খুব কাজে লাগে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের সালাতে কিরাআত কখনো সশব্দে, কখনো নিচু স্বরে হতে পারে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে কিরাআতের ধরনে সহজতা দেখা যায়।
- কিরাআতের আওয়াজের ক্ষেত্রে পরিবেশ ও অন্যদের অবস্থা বিবেচ্য।
- হাদিসটি রাতের নফল সালাতে কিরাআতের ভিন্নতা দেখায়।
