৬/১. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৭১ - ঈমান ও সওয়াবের আশায় কিয়াম

রমজান মাসের কিয়াম

রমজানের কিয়াম: ঈমান ও সওয়াবের আশায় রাতের সালাত

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩৭১

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، - قَالَ الْحَسَنُ فِي حَدِيثِهِ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُرَغِّبُ فِي قِيَامِ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ أَنْ يَأْمُرَهُمْ بِعَزِيمَةٍ ثُمَّ يَقُولُ «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» . فَتُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَالأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ ثُمَّ كَانَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ فِي خِلاَفَةِ أَبِي بَكْرٍ - رضى الله عنه - وَصَدْرًا مِنْ خِلاَفَةِ عُمَرَ رضى الله عنه .قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَا رَوَاهُ عُقَيْلٌ وَيُونُسُ وَأَبُو أُوَيْسٍ «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ» . وَرَوَى عُقَيْلٌ «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَامَهُ».

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমজান মাসের ক্বিয়ামে খুবই উৎসাহী ছিলেন। তবে তিনি এ ব্যাপারে লোকদের প্রতি কঠোর নির্দেশ দিতেন না। তিনি বলতেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে সালাতে দাঁড়ায়, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। রাসূলুল্লাহর (ﷺ) ইন্তিকাল পর্যন্ত এর বিধান এরূপই থাকলো। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এর পূর্ণ খিলাফাত ও ‘উমর (রাঃ) এর খিলাফাতের প্রথম দিকেও এ নিয়ম চালু থাকে।

ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ‘উক্বাইল, ইউনুস ও আবূ উওয়ায়স। তবে তাতে রয়েছে, ‘যে ব্যক্তি রমজানের সাওম পালন ও ক্বিয়াম করে’।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৭১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রমজান মাসের কিয়ামে মানুষকে উৎসাহ দিতেন, তবে কঠোর নির্দেশ দিতেন না। তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে সালাতে দাঁড়ায়, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। হাদিসে আরও এসেছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ইন্তিকাল পর্যন্ত এই অবস্থা ছিল। পরে আবু বকর (রাঃ)-এর খিলাফত এবং উমর (রাঃ)-এর খিলাফতের প্রথম দিকেও এমন নিয়ম চলতে থাকে। এই হাদিসের মূল বিষয় রমজানের কিয়াম, নিয়ত এবং সওয়াবের আশা। এখানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কথা নেই; বরং উৎসাহ, ঈমান ও আল্লাহর প্রতিদানের আশা নিয়ে রাতের সালাতে দাঁড়ানোর কথা আছে। তাই পাঠক হাদিসের শব্দগুলোকে সামনে রেখে সহজভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) রমজানের কিয়ামে উৎসাহ দিতেন।
  • তিনি এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দেননি—বর্ণনায় তা স্পষ্ট।
  • ঈমান ও সওয়াবের আশায় কিয়াম করলে গুনাহ মাফের সুসংবাদ এসেছে।
  • রমজানের রাতের সালাত নিয়ত ও আশা নিয়ে আদায় করা উচিত।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন