৬/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৮৯ - সাওম ও কুরআন খতম
কুরআন কত দিনে খতম করতে হয়
মাসিক সাওম ও কুরআন খতম: ভারসাম্যপূর্ণ আমলের শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৩৮৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩৮৯
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، أَخْبَرَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " صُمْ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ وَاقْرَإِ الْقُرْآنَ فِي شَهْرٍ " . فَنَاقَصَنِي وَنَاقَصْتُهُ فَقَالَ " صُمْ يَوْمًا وَأَفْطِرْ يَوْمًا " .قَالَ عَطَاءٌ وَاخْتَلَفْنَا عَنْ أَبِي فَقَالَ بَعْضُنَا سَبْعَةَ أَيَّامٍ وَقَالَ بَعْضُنَا خَمْسًا.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেনঃ তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম পালন করবে এবং কুরআন এক মাসে খতম করবে। তারপর তিনি কুরআন খতমের সময় কমাতে থাকলে আমিও কমাতে থাকি। অতঃপর তিনি বললেনঃ তুমি একদিন সাওম পালন করবে এবং একদিন বিরতি দিবে। ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, আমরা আমার পিতার বর্ণনাতে মতভেদ করি, কেউ সাত দিন এবং কেউ পাঁচ দিনের কথা বর্ণনা করেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-কে মাসে তিন দিন সাওম পালন এবং এক মাসে কুরআন খতম করার নির্দেশ দেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে আমলের পরিমাণে পরিবর্তন আসে। শেষে একদিন সাওম পালন এবং একদিন বিরতি দেওয়ার কথা আসে। বর্ণনার শেষে আতা (রহঃ) জানান, তাঁর পিতার বর্ণনায় সাত দিন ও পাঁচ দিনের বিষয়ে মতভেদ ছিল। তাই এই হাদিসে কুরআন খতম, নফল সাওম এবং ব্যক্তিগত সামর্থ্যের বিষয় একসাথে আছে। মূল শিক্ষা হলো—আমল বাড়ানো যায়, কিন্তু তা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনা ও সামর্থ্যের আলোকে হওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাসে তিন দিন সাওম একটি সহজ ও ধারাবাহিক আমল হতে পারে।
- কুরআন খতমের জন্য এক মাস একটি গ্রহণযোগ্য সময় হিসেবে এসেছে।
- আমল বাড়াতে চাইলে সামর্থ্য বিবেচনা করা দরকার।
- বর্ণনায় মতভেদ থাকলে তা সতর্কভাবে উল্লেখ করা উচিত।
